ভূগোল এবং পরিবেশ • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫
ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন
দৃশ্যকল্প-১: মেহেরপুর জেলার মোট আয়তন ৭১৬.০৮ বর্গকিলোমিটার এবং মোট জনসংখ্যা ৬,৫৫৩৯২ জন।দৃশ্যকল্প-২: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় আব্দুল জব্বারের পরিবার ও নিলিমা রাণী বিশ্বাসের পরিবার ভারতে আশ্রয় নেয়। যুদ্ধ শেষে আব্দুল জব্বারের পরিবার দেশে ফিরে আসলেও নীলিমা রাণীর পরিবার ফিরে আসেনি।
- ক)(1)
নির্ভরশীল জনসংখ্যা কাকে বলে?
- খ)(2)
ভারতের মুম্বাই শহরে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
দৃশ্যবন্ধ-১ এ উল্লিখিত মেহেরপুর জেলার জনসংখ্যার ঘনত্ব নির্ণয় করো।
- ঘ)(4)
দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লিখিত আব্দুল জব্বার ও নীলিমা রাণীর অভিবাসন কি একই ধরনের? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
সাধারণত ০-১৮ বছর বয়সের শিশু এবং ৬৫ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সের জনসংখ্যাকে নির্ভরশীল জনসংখ্যা বলে।
- খ)
মুম্বাই ভারতের একটি প্রধান শিল্প ও বাণিজ্যিক শহর। শিল্পাঞ্চলে কাজের সুযোগ বেশি থাকে এবং অর্থনৈতিকভাবে অগ্রসর অঞ্চলে মানুষ বেশি বসবাস করে।
কর্মসংস্থানের আশায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এখানে এসে বসতি গড়ে। অল্প আয়তনের এ শহরে এভাবে অনেক মানুষ জড়ো হওয়ায় জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি। - গ)
জনসংখ্যার ঘনত্ব
এখানে, মোট জনসংখ্যা জন এবং আয়তন বর্গকিলোমিটার।
ঘনত্ব
অতএব, মেহেরপুর জেলার জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ৯১৫ জন।
- ঘ)
না, আব্দুল জব্বার ও নীলিমা রাণীর অভিবাসন সম্পূর্ণ একই ধরনের নয়।
১. অভিবাসনের প্রকৃতি: মুক্তিযুদ্ধের কারণে উভয় পরিবার বাধ্য হয়ে ভারতে গেছে, তাই দুটিই বলপূর্বক অভিবাসন। এদিক থেকে দুটি একই ধরনের।
২. আব্দুল জব্বার: তাঁর পরিবার সাময়িকভাবে আশ্রয় নিয়ে যুদ্ধ শেষে দেশে ফিরে এসেছে। এমন ব্যক্তিদের শরণার্থী (Emigre) বলা হয়।
৩. নীলিমা রাণী: তাঁর পরিবার ফিরে আসেনি, অর্থাৎ স্থায়ীভাবে বসতি গড়েছে। এমন ব্যক্তিদের উদ্বাস্তু (Refugee) বলা হয়।সুতরাং, দুটিই বলপূর্বক অভিবাসন হলেও আব্দুল জব্বারের পরিবার শরণার্থী এবং নীলিমা রাণীর পরিবার উদ্বাস্তু, তাই তাদের অভিবাসন একই ধরনের নয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও