অর্থনীতি • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৪
অর্থনীতি প্রশ্ন
A দেশ: বাজেট = (মোট আয় – মোট ব্যয়) = ০ B দেশ: বাজেট = (মোট ব্যয় – মোট আয়) > ০
- ক)(1)
সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?
- খ)(2)
আবগারি শুল্ক কেন আরোপ করা হয়?
- গ)(3)
'A' দেশের বাজেটের ধরন চিহ্নিত করে তা ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
"বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের ক্ষেত্রে 'B' দেশের বাজেটটি অধিক কার্যকর।"- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
সরকারের আয়-ব্যয় ও তার ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নীতি, কার্যক্রম ও আলোচনাকে সরকারি অর্থব্যবস্থা বলে।
- খ)
আবগারি শুল্ক হলো দেশে উৎপাদিত বা ভোগ্য কিছু নির্দিষ্ট দ্রব্যের ওপর আরোপিত কর। সরকার রাজস্ব আদায়ের জন্য এটি আরোপ করে। এছাড়া সিগারেট বা মদের মতো ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ নিরুৎসাহিত করতেও এ শুল্ক আরোপ করা হয়।
- গ)
‘A’ দেশের বাজেট হলো সুষম বাজেট (Balanced Budget)।
যে বাজেটে সরকারের আনুমানিক মোট আয় ও মোট ব্যয় সমান হয়, তাকে সুষম বাজেট বলে। উদ্দীপকে ‘A’ দেশের বাজেট = মোট আয় − মোট ব্যয় = ০, অর্থাৎ আয় ও ব্যয় সমান। এতে সরকারের ঘাটতি বা উদ্বৃত্ত কোনোটিই থাকে না। তাই ‘A’ দেশের বাজেট সুষম বাজেট।
- ঘ)
‘B’ দেশের বাজেট = মোট ব্যয় − মোট আয় > ০, অর্থাৎ ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি। এটি ঘাটতি বাজেট। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য এটি অধিক কার্যকর, কারণ:
১. উন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধি: রাস্তা, বিদ্যুৎ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো উন্নয়ন প্রকল্পে অনেক ব্যয় প্রয়োজন, যা সীমিত আয়ে মেটানো যায় না। ঘাটতি বাজেট এ ব্যয়ের সুযোগ দেয়।
২. কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধি: সরকারি ব্যয় বাড়লে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং মানুষের আয় ও চাহিদা বাড়ে।
৩. সম্পদের সদ্ব্যবহার: ঋণ বা বৈদেশিক সাহায্যের মাধ্যমে ঘাটতি পূরণ করে অব্যবহৃত সম্পদ কাজে লাগানো যায়।
তবে ঘাটতি অতিরিক্ত হলে মুদ্রাস্ফীতি ও ঋণের বোঝা বাড়তে পারে। সুতরাং, ঘাটতি পরিমিত ও উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় হলে এটি উন্নয়নশীল দেশের জন্য অধিক কার্যকর।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও