বাংলা ১ম পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২২

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে গর্জে ওঠে কলেজপড়ুয়া ছাত্র পলাশ। ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধে। তার নেতৃত্বে একের পর এক গেরিলা আক্রমণে অতিষ্ঠ পাকসেনারা। পলাশের গ্রামে পাকসেনারা বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়। আর যাকে যেখানে পায় সেখানেই নিমর্মভাবে হত্যা করে। সে জানতে পারে পাকসেনারা তার বাবা-মাকে মেরে ফেলেছে। কিন্তু সে আপসহীন। তার একটাই প্রতিজ্ঞা-এদেশের মাটি থেকে ওদের তাড়াতেই হবে ।

  1. ক)

    বুধা কার কাছে গণকবর সম্পর্কে জানতে চাইল?

    (1)
  2. খ)

    'যুদ্ধের সময় কত জ্বালা যে সইতে হয়'—কথাটি বুঝিয়ে লেখো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত পাক সেনাদের কাহিনি— 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের যে বিশেষ দিকটি ইঙ্গিত করে তা ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    “উদ্দীপকের পলাশের মনোভাবই যেন 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের লেখকের জীবন ভাবনা” – মন্তব্যটির যৌক্তিকতা বিচার করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. খ)

    যুদ্ধের সময় মানুষকে বহু কষ্ট ভোগ করতে হয়। গ্রাম পুড়ে যায়, স্বজন নিহত হয়, খাদ্য ও আশ্রয়ের অভাব দেখা দেয়, সারাক্ষণ প্রাণের ভয় থাকে। এসব অসহনীয় দুর্ভোগ বোঝাতেই বলা হয়েছে, যুদ্ধের সময় কত জ্বালা সইতে হয়।

  2. গ)

    উদ্দীপকে পাকসেনারা গ্রামের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয় এবং নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে। ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসেও পাকবাহিনীর নৃশংস হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও গণহত্যার চিত্র আছে।
    সুতরাং ইঙ্গিতবাহী বিশেষ দিকটি হলো হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও নৃশংসতা।

  3. ঘ)

    উদ্দীপকের পলাশ ৭ই মার্চের ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাবা-মাকে হারিয়েও সে আপসহীন থাকে এবং প্রতিজ্ঞা করে দেশের মাটি থেকে শত্রুদের তাড়াবে। এই মনোভাব স্বাধীনতার প্রতি অবিচল নিষ্ঠা ও ব্যক্তিগত ক্ষতির ঊর্ধ্বে দেশপ্রেমকে তুলে ধরে।
    ১. ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসের লেখক মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগকে মহিমান্বিত করেছেন।
    ২. উপন্যাসে অত্যাচারে ভেঙে না পড়ে প্রতিরোধের চেতনা ফুটে উঠেছে, যা পলাশের আপসহীনতার সঙ্গে মেলে।
    ৩. স্বাধীনতার জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করার মনোভাব উভয়ের মধ্যেই আছে।
    সুতরাং, পলাশের মনোভাব উপন্যাসের লেখকের জীবনভাবনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ—মন্তব্যটি যৌক্তিক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন