বিজ্ঞান • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২০
বিজ্ঞান প্রশ্ন
রবিন সুষম খাদ্য পিরামিড অনুযায়ী তার খাদ্য তালিকা তৈরি করে নিয়মিত খাদ্য গ্রহণ করে। অপরদিকে সুমন খাবার খাওয়ায় খুবই অনিয়ম করে এবং প্রাণিজ চর্বি ও চিনিযুক্ত খাবার বেশি খায়।
- ক)(1)
ভিটামিন কাকে বলে?
- খ)(2)
ভিনেগার কীভাবে খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে কাজ করে?
- গ)(3)
সুমনের গ্রহণ করা খাদ্য স্থূলতার কারণ হতে পারে-ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের রবিনের সবচেয়ে বেশি পরিমাণে গ্রহণকৃত খাদ্য উপাদানটির পুষ্টিগত গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
যেসব জৈব যৌগ খাদ্যে অল্প পরিমাণে থাকে এবং দেহের বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ও বিভিন্ন জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, তাদের ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ বলে।
- খ)
ভিনেগারে অ্যাসিটিক অ্যাসিড থাকে। খাদ্যে ভিনেগার দিলে খাদ্যের পরিবেশ অম্লীয় হয়ে যায়। অম্লীয় পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক জন্মাতে বা বাড়তে পারে না। এভাবে ভিনেগার জীবাণুর বৃদ্ধি রোধ করে খাদ্যকে সংরক্ষণ করে।
- গ)
সুমন প্রাণিজ চর্বি ও চিনিযুক্ত খাবার বেশি খায়। চর্বি ও চিনি অধিক শক্তি দেয়, কিন্তু দেহ প্রয়োজনের বেশি শক্তি খরচ করতে পারে না। অতিরিক্ত শক্তি চর্বি হিসেবে ত্বকের নিচে ও বিভিন্ন অঙ্গে জমা হয়। এতে ওজন বেড়ে যায় এবং স্থূলতা দেখা দেয়। তাই সুমনের খাদ্য স্থূলতার কারণ হতে পারে।
- ঘ)
রবিন সুষম খাদ্য পিরামিড অনুযায়ী খাবার খায়। পিরামিডের ভিত্তিতে থাকে ভাত, রুটির মতো শর্করা জাতীয় খাদ্য, যা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে গ্রহণ করতে হয়। তাই রবিনের সবচেয়ে বেশি গ্রহণ করা উপাদান শর্করা। এর পুষ্টিগত গুরুত্ব নিচে বিশ্লেষণ করা হলো।
১. শর্করা দেহের প্রধান শক্তির উৎস। ১ গ্রাম শর্করা থেকে প্রায় ৪ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়।
২. মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র শক্তির জন্য প্রধানত গ্লুকোজের ওপর নির্ভর করে।
৩. শর্করা শক্তি জোগানোয় প্রোটিনকে ক্ষয় হতে বাঁচায়, ফলে প্রোটিন দেহ গঠনের কাজে লাগতে পারে। খাদ্য আঁশ জাতীয় শর্করা হজমে ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে।সুতরাং, শক্তির যোগান ও দেহের স্বাভাবিক কাজ চালাতে শর্করার পুষ্টিগত গুরুত্ব অপরিসীম।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও