বিজ্ঞান • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৩
বিজ্ঞান প্রশ্ন
আমাদের দেশে ঘন ঘ্নন বন্যা ও খরার প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি জনজীবন বিপর্যস্ত হয়। তবে ভূমিকম্প খুব কমই হয়ে থাকে।
- ক)(1)
হ্যারিকেন কাকে বলে?
- খ)(2)
এসিড বৃষ্টি কেন হয়? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের শেষে বর্ণিত দুর্যোগটি ঘটার আগে আমাদের করণীয় কী? ব্যাখা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের প্রথম দুইটি দুর্যোগ প্রকৃতিগতভাবে একটি অন্যটির বিপরীত- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
উত্তর আটলান্টিক ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড়কে হ্যারিকেন বলে।
- খ)
কয়লা, তেল ও অন্যান্য জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ালে এবং কলকারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়ায় সালফার ডাই-অক্সাইড (SO₂) ও নাইট্রোজেনের অক্সাইড বাতাসে মেশে।
এই গ্যাসগুলো বায়ুমণ্ডলের জলীয় বাষ্পের সঙ্গে বিক্রিয়া করে সালফিউরিক এসিড ও নাইট্রিক এসিড তৈরি করে। ফলে বৃষ্টির পানি এসিডযুক্ত হয়ে নেমে আসে, যাকে এসিড বৃষ্টি বলে।
- গ)
উদ্দীপকের শেষ দুর্যোগটি হলো ভূমিকম্প। ভূমিকম্প ঘটার আগে আমাদের করণীয়:
১. ভূমিকম্প-সহনশীল বিল্ডিং কোড মেনে ঘরবাড়ি নির্মাণ করা।
২. বাড়ির নিরাপদ জায়গা, যেমন শক্ত টেবিলের নিচ বা দরজার কাঠামো চিহ্নিত করা।
৩. ভারী আসবাব ও ঝুলন্ত বস্তু দেয়ালে ভালোভাবে আটকে রাখা।
৪. প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম, টর্চ, পানি ও শুকনো খাবারসহ জরুরি ব্যাগ প্রস্তুত রাখা।
৫. পরিবারের সদস্যদের ভূমিকম্পের সময় করণীয় সম্পর্কে সচেতন করা এবং মহড়া দেওয়া। - ঘ)
উদ্দীপকের প্রথম দুটি দুর্যোগ বন্যা ও খরা। এ দুটি প্রকৃতিগতভাবে একটি অন্যটির বিপরীত।
১. কারণ: অতিবৃষ্টি, নদীর পানি বৃদ্ধি ও উজানের ঢলের কারণে বন্যা হয়। আর দীর্ঘ সময় বৃষ্টি না হওয়ার কারণে খরা হয়।
২. পানির অবস্থা: বন্যায় পানি অতিরিক্ত থাকে ও জমি ডুবে যায়, আর খরায় পানির অভাবে মাটি ফেটে যায় ও শুকিয়ে যায়।
৩. প্রভাব: বন্যায় ফসল ডুবে নষ্ট হয়, আর খরায় সেচের অভাবে ফসল শুকিয়ে মরে যায়।
৪. প্রতিকার: বন্যা মোকাবেলায় বাঁধ, নদী খনন ও পানি নিষ্কাশন দরকার, আর খরায় সেচ ও পানি সংরক্ষণ প্রয়োজন।সুতরাং, বন্যা ও খরা কারণ, রূপ ও প্রতিকারে একটি অন্যটির বিপরীত।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও