পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৩
পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন
দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোর বিভিন্ন সমস্যা সমাধান ও পারস্পরিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা গঠিত হয়। উক্ত সংস্থাটির সাথে বাংলাদেশের নিবিড় সম্পর্ক। সংস্থাটির উদ্যোক্তা হিসেবে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশ বলিষ্ঠ ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- ক)(1)
The cream of UN peacekeepers' হিসেবে কারা আখ্যায়িত?
- খ)(2)
আন্তর্জাতিক আদালত কী? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে কোন সংস্থাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বর্ণিত সংস্থাটির সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক সম্বন্দ্বে যা বলা হয়েছে তার সত্যতা নিরূপণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
'The cream of UN peacekeepers' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীকে।
- খ)
আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice) হলো জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় সংস্থা। এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে। এখানে ১৫ জন বিচারক থাকেন। এই আদালত রাষ্ট্রসমূহের মধ্যকার বিরোধ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করে এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গ সংস্থাকে আইনগত পরামর্শ প্রদান করে।
- গ)
উদ্দীপকে সার্ক (SAARC) বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোর সমস্যা সমাধান ও পারস্পরিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি আঞ্চলিক সংস্থা গঠিত হয়েছে এবং বাংলাদেশ এর উদ্যোক্তা। সার্ক ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদস্য রাষ্ট্র ৮টি, সদর দপ্তর নেপালের কাঠমাণ্ডু। এর লক্ষ্য দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের কল্যাণ ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি। সুতরাং, উদ্দীপকে সার্ককেই নির্দেশ করা হয়েছে।
- ঘ)
উদ্দীপকে বলা হয়েছে সার্কের সাথে বাংলাদেশের নিবিড় সম্পর্ক এবং বাংলাদেশ উদ্যোক্তা হিসেবে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করছে। বক্তব্যটি সত্য।
১. প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা: সার্কের ধারণা প্রথম প্রস্তাব করেন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর উদ্যোগে আলোচনা এগিয়ে ১৯৮৫ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
২. সক্রিয় সদস্য: বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে সার্কের বিভিন্ন কর্মসূচি, সম্মেলন ও সিদ্ধান্তে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।
৩. আঞ্চলিক উন্নয়ন: দারিদ্র্য বিমোচন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, সন্ত্রাস দমন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে সহযোগিতা ইত্যাদি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সার্কের মাধ্যমে অবদান রাখছে ও সুবিধা পাচ্ছে।অতএব, উদ্যোক্তা ও সক্রিয় সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকা বিবেচনায় উদ্দীপকের বক্তব্য সম্পূর্ণ সত্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও