বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
খিলাফত আন্দোলনের নেতা কারা ছিলেন?
- খ)(2)
লাহোর প্রস্তাব কী?
- গ)(3)
'উদ্দীপকটি ঐতিহাসিক কোন ঘটনাকে নির্দেশ করছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
খিলাফত আন্দোলনের নেতা ছিলেন মওলানা মুহম্মদ আলী ও মওলানা শওকত আলী (আলী ভ্রাতৃদ্বয়)।
- খ)
লাহোর প্রস্তাব হলো ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হক উত্থাপিত প্রস্তাব। এতে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলোকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত করার দাবি জানানো হয়।
- গ)
উদ্দীপকটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঘটনাবলিকে নির্দেশ করছে। ‘A’ কলামে আছেন ভাষা আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ যেমন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, অধ্যাপক আবুল কাশেম, নূরুল হক ভূঁইয়া ও ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। ‘B’ কলামে আছে তমদ্দুন মজলিশ, ১৪৪ ধারা জারি, মিছিলে লাঠিচার্জ ও শহিদ মিনার নির্মাণ। এসব ঘটনা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার আন্দোলনেরই অংশ।
- ঘ)
ভাষা আন্দোলন বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
১. জাতিসত্তার উপলব্ধি: মাতৃভাষার ওপর আঘাত বাঙালিকে নিজস্ব সংস্কৃতি ও পরিচয়ের প্রতি সচেতন করে।
২. ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ: ছাত্র, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষ একসঙ্গে রাজপথে নামে, যা জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি তৈরি করে।
৩. পরবর্তী আন্দোলনে প্রেরণা: যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন, ছয় দফা, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধে এই চেতনা প্রেরণা জুগিয়েছে।সুতরাং, ভাষা আন্দোলন বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগ্রত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও