বিজ্ঞান • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩
বিজ্ঞান প্রশ্ন
তাওসিফ সাহেবের পানি বিশুদ্ধকরণের দুইটি কারখানা আছে। প্রথম কারখানায় তিনি বোতলজাত পানিকে জীবাণুমুক্ত করার জন্য একটি পদ্ধতি ব্যবহার করেন। অপর কারখানায় ঔষধ তৈরির জন্য ব্যবহৃত পানিকে বিশেষ পদ্ধতিতে বিশুদ্ধ করা হয়। তার মা বাড়িতে খাওয়ার জন্য অন্য একটি পদ্ধতিতে পানি বিশুদ্ধ করেন।
- ক)(1)
গলনাঙ্ক কাকে বলে?
- খ)(2)
পানিকে কেন সর্বজনীন দ্রাবক বলা হয়?
- গ)(3)
তাওসিফ সাহেবের মা.কোন পদ্ধতিতে পানি বিশুদ্ধ করেন? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
তাওসিফ সাহেবের দুইটি কারখানায় ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে পানি বিশুদ্ধকরণ করা হয়-বিশ্লেষণ করো
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ গলে তরলে পরিণত হয়, তাকে ঐ পদার্থের গলনাঙ্ক বলে।
- খ)
পানি বেশির ভাগ অজৈব যৌগ এবং অনেক জৈব যৌগকে দ্রবীভূত করতে পারে। অর্থাৎ বহু পদার্থই পানিতে দ্রবীভূত হয়। এ জন্য পানিকে সর্বজনীন দ্রাবক (Universal solvent) বলা হয়।
- গ)
তাওসিফ সাহেবের মা বাড়িতে খাওয়ার জন্য স্ফুটন (ফুটানো) পদ্ধতিতে পানি বিশুদ্ধ করেন।
১. পদ্ধতি: পানিকে পাত্রে নিয়ে তাপ দিয়ে ফুটানো হয়।
২. সময়: স্ফুটন শুরু হওয়ার পর ১৫–২০ মিনিট ভালোভাবে ফুটালে পানিতে থাকা রোগজীবাণু ধ্বংস হয়ে যায়।
৩. ব্যবহার: বাসাবাড়িতে খাওয়ার পানির জন্য এটি সহজ ও সাশ্রয়ী পদ্ধতি।এভাবে ফুটিয়ে পানি জীবাণুমুক্ত করে পান করা যায়।
- ঘ)
উদ্দীপকে তাওসিফ সাহেবের প্রথম কারখানায় বোতলজাত পানি ক্লোরিনেশন পদ্ধতিতে এবং দ্বিতীয় কারখানায় ওষুধের পানি পাতন পদ্ধতিতে বিশুদ্ধ করা হয়।
১. প্রথম কারখানা: পানি পানের জন্য রোগজীবাণু ধ্বংস করা জরুরি। ক্লোরিন গ্যাস বা ব্লিচিং পাউডার জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে এবং সহজে ও কম খরচে জীবাণু দূর করে।
২. দ্বিতীয় কারখানা: ওষুধ তৈরিতে একেবারে বিশুদ্ধ পানি দরকার। পাতন প্রক্রিয়ায় পানিকে বাষ্পে পরিণত করে আবার ঘনীভূত করা হয়, ফলে দ্রবীভূত লবণসহ অন্য পদার্থ থাকে না।
৩. কারণ: পানি কোন কাজে ব্যবহৃত হবে, তার ওপর বিশুদ্ধকরণ পদ্ধতি নির্ভর করে। ক্লোরিনেশনে পানিতে ক্লোরিন থাকে, যা ওষুধের জন্য অনুপযোগী; তাই সেখানে পাতন করা হয়।সুতরাং, ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয় বিশুদ্ধতা অনুযায়ী দুটি কারখানায় ভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও