‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০১৭

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

বাংলাদেশ ২০১২ সালে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার শারি রক্ষা মিশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়। বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ পরবর্তী শক্তি প্রতিষ্ঠাসহ দেশ পুনর্গঠন ও উন্নয়নে সংস্থাটি পরামর্শক হিসেবে কাজ করছে।

  1. ক)

    বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে?

    (1)
  2. খ)

    বৈদেশিক নীতি বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত সংস্থাটির গঠন লেখো।

    (3)
  4. ঘ)

    বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ উত্ত সংস্থার সবচেয়ে সক্রিয় অংশীদার।"- বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বৈদেশিক নীতি (Foreign Policy) হলো একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র কর্তৃক অন্যান্য রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রণীত নীতি, কৌশল ও নির্দেশিকা। এর মূল লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত সংস্থাটি হলো জাতিসংঘের 'শান্তি বিনির্মাণ কমিশন' (Peacebuilding Commission - PBC)। ২০০৫ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এবং নিরাপত্তা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে এই আন্তঃরাষ্ট্রীয় পরামর্শক সংস্থাটি গঠিত হয়।

    কমিশনটি ৩১ জন সদস্য নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে রয়েছে:
    ১. নিরাপত্তা পরিষদের ৭ জন সদস্য (স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্য মিলিয়ে);
    ২. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC) থেকে নির্বাচিত ৭ জন সদস্য;
    ৩. জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক নির্বাচিত ৭ জন সদস্য;
    ৪. জাতিসংঘ তহবিলে শীর্ষ ৫ জন আর্থিক অবদানকারী রাষ্ট্র;
    ৫. জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শীর্ষ ৫ জন সেনা ও পুলিশ প্রেরণকারী দেশ (যার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম)।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘ ও এর অধীন বিভিন্ন অঙ্গসংস্থার অন্যতম সক্রিয় অংশীদার হলো বাংলাদেশ—উক্তিটি যথার্থ।

    উদ্দীপকে উল্লেখিত শান্তি বিনির্মাণ কমিশন (PBC) ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। ১৯৮৮ সালে ইরান-ইরাক শান্তি পর্যবেক্ষক মিশনে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর থেকে বাংলাদেশ অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সাথে বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতময় এলাকায় দায়িত্ব পালন করে আসছে।

    ২০১২ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়, যা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও অবদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এছাড়া বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে শান্তিরক্ষা মিশনে শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশের অন্যতম। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা কেবল শৃঙ্খলা বজায় রাখা নয়, সংঘাত-পরবর্তী দেশ পুনর্গঠন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সুতরাং, এটি নিঃসন্দেহে প্রমাণিত যে বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় অত্যন্ত কার্যকর ও সক্রিয় অংশীদার।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন