বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৬

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন

তথ্য-কঈসা খানকেদার রায়বাহাদুর গাজি | তথ্য-খলালবাগ কেল্লাপরি বিবির মাজারহোসেনী দালান

  1. ক)

    মিশরীয়দের কাগজ তৈরির মূল উপাদান কোনটি?

    (1)
  2. খ)

    ইংরেজরা ভারতবর্ষে কুঠি স্থাপন করে কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    তথ্য-ক-এ উল্লেখিত ব্যক্তিরা মুঘলদের নিকট পরাজিত হয়েছিল কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    তথ্য-খ-এ উল্লেখিত "স্থাপত্য নির্মাণগুলোর জন্য শায়েস্তা খান ইতিহাসে স্মরণীয়"- বিবৃতিটি বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    মিশরীয়দের কাগজ তৈরির মূল উপাদান প্যাপিরাস নামক নলখাগড়া জাতীয় উদ্ভিদ।

  2. খ)

    ইংরেজরা ভারতবর্ষে ব্যবসা-বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে এসেছিল। পণ্য সংগ্রহ, মজুত ও বিক্রির সুবিধার জন্য তারা বিভিন্ন স্থানে কুঠি বা বাণিজ্যকেন্দ্র স্থাপন করে। কুঠিতে কর্মচারীদের থাকার ও পণ্য গুদামজাত করার ব্যবস্থা ছিল। এছাড়া কুঠির মাধ্যমে তারা নিরাপদে বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারত।

  3. গ)

    তথ্য-ক-এ উল্লিখিত ঈসা খান, কেদার রায় ও বাহাদুর গাজি বারো ভূঁইয়ার সদস্য। তাঁরা মুঘলদের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন নিচের কারণে:

    ১. ঐক্যের অভাব: ভূঁইয়ারা সংঘবদ্ধভাবে মুঘলদের মোকাবিলা করতে পারেননি। বিশেষত ঈসা খানের মৃত্যুর পর ঐক্য আরও দুর্বল হয়।
    ২. মুঘলদের সামরিক শক্তি: মুঘলদের বিশাল সেনা, কামান ও নৌবহর ছিল, যা ভূঁইয়াদের সামরিক সামর্থ্যের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
    ৩. সীমিত সম্পদ: ভূঁইয়ারা ছিলেন আঞ্চলিক শাসক। দীর্ঘ যুদ্ধ চালানোর জন্য তাদের সম্পদ ও জনবল যথেষ্ট ছিল না।

    এসব কারণে ভূঁইয়ারা শেষ পর্যন্ত মুঘলদের কাছে পরাজিত হন।

  4. ঘ)

    তথ্য-খ-এ লালবাগ কেল্লা, পরীবিবির মাজার ও হোসেনী দালানের উল্লেখ আছে। এসব ঢাকার মুঘল আমলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য। বিবৃতিটি আংশিকভাবে যথার্থ, কারণ শায়েস্তা খান ঢাকায় স্থাপত্য নির্মাণে বিশেষভাবে স্মরণীয়।

    ১. লালবাগ কেল্লা ও পরীবিবির মাজার: শায়েস্তা খানের সময়ের এই স্থাপত্য মুঘল শিল্পরীতির নিদর্শন। পরীবিবি ছিলেন শায়েস্তা খানের কন্যা।
    ২. অন্যান্য স্থাপত্য: তাঁর আমলে ঢাকায় সাত গম্বুজ মসজিদ, ছোট কাটরা, চকবাজার মসজিদ ইত্যাদি স্থাপত্য গড়ে ওঠে।
    ৩. ঢাকার উন্নয়ন: তাঁর শাসনকালে ঢাকা শহর শিল্প, বাণিজ্য ও স্থাপত্যে সমৃদ্ধ হয় এবং মুঘল আমলে বাংলার রাজধানী হিসেবে গুরুত্ব পায়।

    সুতরাং, ঢাকার মুঘলকালীন স্থাপত্য ও নগরোন্নয়নে অবদানের জন্য শায়েস্তা খান ইতিহাসে স্মরণীয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন