বিজ্ঞান • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৪
বিজ্ঞান প্রশ্ন
- ক)(1)
অ্যান্টিজেন কাকে বলে?
- খ)(2)
রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য ক্ষতিকর - ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের (i) নং চিত্রের গঠন ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের (ii) নং চিত্রের A ও B কণিকার সংখ্যা বেড়ে গেলে বা কমে গেলে কী সমস্যা হতে পারে? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
যেসব বহিরাগত বস্তু বা প্রোটিন রক্তে প্রবেশ করলে দেহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা (ইমিউন সিস্টেম) তাকে ক্ষতিকর মনে করে অ্যান্টিবডি তৈরি করে, তাদের অ্যান্টিজেন বলে।
- খ)
রক্তে কোলেস্টেরল বেশি হলে তা ধমনির ভেতরের দেয়ালে জমে ধমনি সরু ও শক্ত করে ফেলে, যাকে অ্যাথেরোস্কেলেরোসিস বলে। এতে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় এবং রক্তচাপ বাড়ে। হৃৎপিণ্ডের ধমনিতে রক্ত চলাচল বন্ধ হলে হার্ট অ্যাটাক এবং মস্তিষ্কের ধমনিতে বন্ধ হলে স্ট্রোক হতে পারে। তাই কোলেস্টেরলের আধিক্য ক্ষতিকর।
- গ)
চিত্র (i) হলো মানুষের হৃৎপিণ্ড। এর গঠন:
১. হৃৎপিণ্ড একটি পেশিবহুল অঙ্গ, যা বুকের বাম দিকে ঝুঁকে অবস্থিত। এটি চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত।
২. উপরের দুটি প্রকোষ্ঠ হলো ডান ও বাম অলিন্দ (Atrium) এবং নিচের দুটি হলো ডান ও বাম নিলয় (Ventricle)।
৩. অলিন্দ ও নিলয়ের মাঝে কপাটিকা (Valve) থাকে, যা রক্তকে একমুখী রাখে।
৪. হৃৎপিণ্ড থেকে মহাধমনি ও ফুসফুসীয় ধমনি বের হয় এবং মহাশিরা ও ফুসফুসীয় শিরা এতে প্রবেশ করে।
৫. হৃৎপিণ্ডের বাইরে একটি দ্বিস্তর বিশিষ্ট আবরণ থাকে, যাকে পেরিকার্ডিয়াম বলে। - ঘ)
চিত্র (ii)-এ রক্তের কণিকা দেখানো হয়েছে। এখানে A হলো শ্বেত রক্তকণিকা (নিউক্লিয়াসযুক্ত) এবং B হলো অণুচক্রিকা (প্লাটিলেট)।
A (শ্বেত রক্তকণিকা):
১. বেড়ে গেলে সাধারণত দেহে সংক্রমণ বা প্রদাহ থাকে। অস্বাভাবিক বেশি হলে লিউকেমিয়া (রক্তের ক্যান্সার) হতে পারে।
২. কমে গেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং দেহ সহজে রোগে আক্রান্ত হয়।B (অণুচক্রিকা):
১. কমে গেলে রক্ত জমাট বাঁধতে দেরি হয়, ফলে সামান্য আঘাতেও বেশি রক্তক্ষরণ হয়। ডেঙ্গু জ্বরে এমন হতে পারে।
২. অতিরিক্ত বেড়ে গেলে রক্তনালিতে অস্বাভাবিক জমাট বাঁধতে পারে।সুতরাং, A ও B কণিকার সংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হলে দেহে মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও