বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৬
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
ইউনেস্কো কী?
- খ)(2)
মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা কীরূপ ছিল?
- গ)(3)
চিত্র-১ কাদের গৌরবময় ত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য তৈরি করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
চিত্র-২, বাঙালির অহংকার, গৌরব ও মর্যাদার প্রতীক— বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
ইউনেস্কো (UNESCO) হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক বিশেষায়িত সংস্থা।
- খ)
মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের ভূমিকা ছিল সীমিত ও অনেকটাই অকার্যকর। নিরাপত্তা পরিষদে বড় শক্তিগুলোর মতভেদ ও ভেটোর কারণে বাংলাদেশের পক্ষে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি।
তবে শরণার্থীদের ত্রাণ ও সহায়তার ব্যাপারে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা কাজ করেছে এবং যুদ্ধ বন্ধের আহ্বানও জানানো হয়েছিল। - গ)
চিত্র-১ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধাদের গৌরবময় ত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি 'অপরাজেয় বাংলা' ভাস্কর্য।
১৯৭১ সালে বাঙালি ছাত্র, যুবক ও সাধারণ মানুষ অস্ত্র হাতে নিয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়েছিল। অসংখ্য মানুষ প্রাণ দিয়েছেন। ভাস্কর্যের তিনটি মূর্তি সেই সংগ্রামী চেতনা ও আত্মত্যাগকে প্রতিনিধিত্ব করে।
সুতরাং, চিত্র-১ মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের স্মারক। - ঘ)
চিত্র-২ সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ, যা মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নির্মিত। এটি বাঙালির অহংকার, গৌরব ও মর্যাদার প্রতীক।
১. শহীদদের স্মৃতি: ত্রিশ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগের স্মৃতি এখানে সম্মানের সঙ্গে ধারণ করা হয়েছে। প্রতি বছর ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বরে মানুষ এখানে শ্রদ্ধা জানায়।
২. স্বাধীনতার প্রতীক: স্মৃতিসৌধের সাতটি স্তম্ভ বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের পর্যায়কে স্মরণ করিয়ে দেয় এবং জাতির স্বাধীনতার ঐতিহাসিক পথচলা প্রকাশ করে।
৩. জাতীয় ঐক্য: এটি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ করে এবং নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে অনুপ্রাণিত করে।
সুতরাং, জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাঙালির অহংকার, গৌরব ও মর্যাদার প্রতীক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও