বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৫

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন

  1. ক)

    ”ইউসুফ জুলেখা” এর রচয়িতা কে?

    (1)
  2. খ)

    বাংলাকে 'বুলগাকপুর' বলা হতো কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত শাসকগণ কী নামে পরিচিত ছিল? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত শাসকগণকে পরাজিত করে সমগ্র বাংলায় মুঘল রাজত্ব কায়েম করা হয়। তুমি কি এর সাথে একমত? যুক্তিসহ উপস্থাপন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    ‘ইউসুফ জুলেখা’র রচয়িতা শাহ মুহম্মদ সগীর।

  2. খ)

    মুঘল আমলে বাংলায় বারবার বিদ্রোহ ও স্থানীয় শাসকদের প্রতিরোধ দেখা দিত। বাংলার জলবায়ু, নদী-নালা ও ভৌগোলিক অবস্থান মুঘলদের জন্য নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন ছিল। তাই মুঘলরা বাংলাকে ‘বুলগাকপুর’ বা বিদ্রোহের নগরী বলত।

  3. গ)

    উদ্দীপকের ছকে ঈসা খান, মুসা খান, চাঁদ রায়, কেদার রায়, বাহাদুর গাজী, লক্ষ্মণমাণিক্য ও মুকুন্দরাম সত্রাজিৎ-এর নাম এবং তাঁদের অঞ্চল দেখানো হয়েছে। এঁরা সবাই মুঘল আমলে বাংলার স্বাধীন ভূস্বামী, যাঁরা বারোভূঁইয়া নামে পরিচিত। তাঁরা নিজ নিজ অঞ্চলে প্রায় স্বাধীনভাবে শাসন করতেন।

  4. ঘ)

    হ্যাঁ, আমি একমত। বারোভূঁইয়াদের পরাজিত করেই সমগ্র বাংলায় মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
    ১. মুঘল সুবাদার ইসলাম খাঁ চিশতি (১৬০৮–১৬১৩) সামরিক অভিযান চালিয়ে বারোভূঁইয়াদের একে একে দমন করেন।
    ২. তিনি ঈসা খাঁর পুত্র মুসা খাঁকে পরাজিত করেন এবং রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
    ৩. প্রতাপাদিত্য, মুকুন্দরাম প্রমুখ ভূস্বামীর পরাজয়ের পর মুঘলরা বাংলায় নিয়ন্ত্রণ কায়েম করে।
    সুতরাং, বারোভূঁইয়াদের পতনের মধ্য দিয়েই সমগ্র বাংলায় মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন