পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩
পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন
জনাব 'ক' সরকার পরিচালনার একটি বিভাগের সর্বোচ্চ প্রধান। তিনি আইনসভার সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন। অপরদিকে জনাব 'খ' প্রকৃত শাসন ক্ষমতার অধিকারী। তিনি দেশের সকল স্বার্থ রক্ষা করেন এবং বিদেশে কোনো আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে তার দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- ক)(1)
সচিবালয় কী?
- খ)(2)
প্রশাসনকে রাষ্ট্রের হৃদপিণ্ড বলা হয় কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকের জনাব 'ক' সরকারের কোন ব্যক্তিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের জনার 'ক' ও জনাব 'খ' এর মধ্যে কাকে শাসন ব্যবস্থার মধ্যমণি বলা হয়? বিশ্লেষণপূর্বক মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
সচিবালয় হলো সরকারের কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক দপ্তর, যেখানে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- খ)
হৃদপিণ্ড দেহের সব অংশে রক্ত পৌঁছে দিয়ে দেহকে সচল রাখে। তেমনি প্রশাসন সরকারের নীতি ও আইন বাস্তবায়ন করে রাষ্ট্রের সব কাজ পরিচালনা করে। প্রশাসন অচল হলে রাষ্ট্র অচল হয়ে পড়ে। তাই প্রশাসনকে রাষ্ট্রের হৃদপিণ্ড বলা হয়।
- গ)
জনাব 'ক' সরকার পরিচালনার একটি বিভাগের সর্বোচ্চ প্রধান এবং আইনসভার সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত। তিনি রাষ্ট্রপতিকে নির্দেশ করেন।
১. বাংলাদেশে জাতীয় সংসদের সদস্যরা রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন।
২. তিনি রাষ্ট্রের প্রধান ও শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তি, কিন্তু সংসদীয় ব্যবস্থায় তিনি নামমাত্র শাসক।সুতরাং, জনাব 'ক' রাষ্ট্রপতিকে নির্দেশ করেন।
- ঘ)
উদ্দীপকের জনাব 'ক' রাষ্ট্রপতি এবং জনাব 'খ' প্রধানমন্ত্রী। আমার মতে জনাব 'খ' অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীকে শাসন ব্যবস্থার মধ্যমণি বলা হয়।
১. প্রকৃত ক্ষমতা: প্রধানমন্ত্রীই শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী।
২. মন্ত্রিসভা গঠন: তিনি মন্ত্রিসভা গঠন ও পরিচালনা করেন এবং মন্ত্রীদের মধ্যে সমন্বয় করেন।
৩. নীতিনির্ধারণ: সরকারের সব গুরুত্বপূর্ণ নীতি তাঁর নেতৃত্বে নির্ধারিত হয়।
৪. আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিত্ব: তিনি দেশের স্বার্থ রক্ষা করেন ও বিদেশে প্রতিনিধিত্ব করেন।রাষ্ট্রপতি নামমাত্র প্রধান ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে কাজ করেন।
সুতরাং, প্রধানমন্ত্রীই শাসন ব্যবস্থার মধ্যমণি।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও