ব্যবসায় উদ্যোগ • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪
ব্যবসায় উদ্যোগ প্রশ্ন
আবীর স্থানীয় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে সবজি চাষের উপর প্রশিক্ষণ নেয়। তিনি পরিবারের নিজস্ব জমিতে রাসায়নিক সারমুক্ত সবজি চাষ করেন। এই কার্যক্রমটি পরিচালনা করতে জনাব আবীরকে বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু তিনি তাতে দমে যাননি। পক্ষান্তরে তার বন্ধু জনাব সবুজ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ডেইরি ফিড তৈরির কারখানা স্থাপন করেন। এতে তিনি নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি অনেক লোকের কর্মসংস্থানে সহায়তা করেন।
- ক)(1)
উদ্যোক্তা কীভাবে সৃষ্টি করা যায়?
- খ)(2)
সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বলতে কী বোঝ? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে জনাব আবীরের মধ্যে উদ্যোক্তার কোন্ গুণটি পরিলক্ষিত হয়েছে? বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে জনাব সবুজের কার্যক্রম ব্যবসায় উদ্যোগের গুরুত্বের আলোকে মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
প্রশিক্ষণ, উদ্বুদ্ধকরণ ও সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা যায়।
- খ)
সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বলতে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় সরকারের বিভিন্ন সহযোগিতা ও উৎসাহ প্রদানকে বোঝায়।
উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে সরকার সহজ শর্তে ঋণ, কর সুবিধা, প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো সুবিধা ও সহায়ক নীতি প্রণয়ন করে। যেমন: যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। এতে উদ্যোক্তা তৈরি হয় এবং ব্যবসায় প্রসারিত হয়।
- গ)
উদ্দীপকে জনাব আবীরের মধ্যে উদ্যোক্তার ঝুঁকি গ্রহণের সাহসিকতা ও অধ্যবসায় গুণ পরিলক্ষিত হয়েছে।
উদ্যোক্তা ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা জেনেও ব্যবসায়ে ঝুঁকি নেন এবং বাধা এলে হাল ছাড়েন না। জনাব আবীর যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেদের জমিতে রাসায়নিক সারমুক্ত সবজি চাষ শুরু করেন। কাজটি করতে গিয়ে নানা ঝুঁকির সম্মুখীন হলেও তিনি দমে যাননি। এটি তাঁর সাহসিকতা ও লেগে থাকার মনোভাব প্রকাশ করে।
- ঘ)
জনাব সবুজের ডেইরি ফিড তৈরির কারখানা স্থাপন ব্যবসায় উদ্যোগের গুরুত্বের আলোকে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।
১. আত্মকর্মসংস্থান ও স্বাবলম্বিতা: যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ নিয়ে কারখানা গড়ে তিনি নিজে স্বাবলম্বী হয়েছেন।
২. কর্মসংস্থান সৃষ্টি: কারখানায় অনেক লোকের কাজের সুযোগ হয়েছে, ফলে বেকারত্ব কমছে।
৩. উৎপাদন বৃদ্ধি: ডেইরি ফিড উৎপাদনে খামারিরা সহজে পশুখাদ্য পাচ্ছেন। এতে দুধ ও মাংসের উৎপাদন বাড়বে এবং আমদানিনির্ভরতা কমবে।
৪. জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন: কর্মীদের আয় বাড়ায় তাদের জীবনমান ও ক্রয়ক্ষমতা বাড়ছে।সুতরাং, জনাব সবুজের কার্যক্রম আত্মকর্মসংস্থান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও