অর্থনীতি • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৩

অর্থনীতি প্রশ্ন

'ক' দেশ | 'খ' দেশ
১। প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয় | ১। আমদানির পরিমাণ রপ্তানির চেয়ে বেশি
২। শান্তিপূর্ণভাবে সরকার পরিবর্তন | ২। অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি কৃষি
৩। প্রযুক্তিজ্ঞানে স্বনির্ভর | ৩। ছদ্মবেশী বেকারত্বের উপস্থিতি

  1. ক)

    মানবসম্পদ কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    শিক্ষা কীভাবে মানবসম্পদ উন্নয়নে ভূমিকা রাখে? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    'ক' দেশটি উন্নয়নের মাপকাঠিতে কোন ধরনের দেশ? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    'খ' দেশটিকে 'ক' দেশে রূপান্তরকরণে তোমার সুপারিশ লেখো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে দক্ষ ও উৎপাদনক্ষম হয়ে ওঠা জনগোষ্ঠীকে মানবসম্পদ (Human Resource) বলে।

  2. খ)

    শিক্ষা মানুষের জ্ঞান, দক্ষতা ও কর্মক্ষমতা বাড়ায়। শিক্ষিত মানুষ আধুনিক প্রযুক্তি সহজে বুঝতে ও ব্যবহার করতে পারে, ফলে উৎপাদনশীলতা বাড়ে। শিক্ষা মানুষকে সচেতন করে এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে জ্ঞান দেয়। এছাড়া শিক্ষিত মানুষ ভালো কাজ পায় ও বেশি আয় করতে পারে। এভাবে শিক্ষা জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করে।

  3. গ)

    'ক' দেশটি উন্নয়নের মাপকাঠিতে উন্নত দেশ।

    উদ্দীপকে 'ক' দেশের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

    ১. প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়। উন্নত দেশে সম্পদ পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগানো হয়।
    ২. শান্তিপূর্ণভাবে সরকার পরিবর্তন হয়, অর্থাৎ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আছে।
    ৩. প্রযুক্তিজ্ঞানে স্বনির্ভর, অর্থাৎ নিজস্ব প্রযুক্তি ও গবেষণার সক্ষমতা আছে।

    এসব বৈশিষ্ট্য উন্নত দেশের সাথে মিলে যায়। তাই 'ক' দেশটি উন্নত দেশ।

  4. ঘ)

    উদ্দীপক অনুযায়ী 'খ' দেশে আমদানি রপ্তানির চেয়ে বেশি, অর্থনীতি কৃষিনির্ভর এবং ছদ্মবেশী বেকারত্ব রয়েছে। এটি একটি উন্নয়নশীল বা অনুন্নত দেশের বৈশিষ্ট্য। একে 'ক' দেশের মতো উন্নত দেশে রূপান্তরের জন্য আমার সুপারিশ নিম্নরূপ।

    ১. শিল্পায়ন ও রপ্তানি বৃদ্ধি: কৃষির পাশাপাশি শিল্পের প্রসার ঘটিয়ে রপ্তানিমুখী পণ্য উৎপাদন করতে হবে। এতে আমদানি-রপ্তানির ঘাটতি কমবে এবং ছদ্মবেশী বেকাররা শিল্পে কাজ পাবে।
    ২. মানবসম্পদ উন্নয়ন: শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও স্বাস্থ্যসেবা বাড়িয়ে প্রযুক্তিজ্ঞানে স্বনির্ভর জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে।
    ৩. সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও মূলধন গঠন: প্রাকৃতিক সম্পদের পরিকল্পিত ব্যবহার এবং সঞ্চয় ও বিনিয়োগ উৎসাহিত করে মূলধন বাড়াতে হবে।
    ৪. সুশাসন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা: শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর ও দুর্নীতি দমনের মাধ্যমে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

    সুতরাং, এসব পদক্ষেপ নিলে 'খ' দেশ ধীরে ধীরে 'ক' দেশের মতো উন্নত দেশে পরিণত হতে পারবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন