পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৫

পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন

'ক' নামের একটি দেশের সকল ধরনের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য রাষ্ট্রপতি সংবিধানের আলোকে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। উক্ত প্রতিষ্ঠানটি ভোটার তালিকা তৈরি, আইডি কার্ড প্রদান ও নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ ইত্যাদি কাজ সুচারুরূপে সম্পূর্ণ করে।

  1. ক)

    নির্বাচন কত প্রকার? কী কী?

    (1)
  2. খ)

    গোপন ভোটদান পদ্ধতি ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? উক্ত প্রতিষ্ঠানের কাঠামো ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    "সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় উক্ত প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অপরিসীম" উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    নির্বাচন দুই প্রকার। যথা: ১. প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও ২. পরোক্ষ নির্বাচন।

  2. খ)

    গোপন ভোটদান পদ্ধতিতে ভোটার কাকে ভোট দিলেন তা অন্য কেউ জানতে পারে না। ভোটার নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রে গিয়ে আলাদা গোপন কক্ষে ব্যালট পেপারে পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে সিল মেরে তা ব্যালট বাক্সে ফেলেন। এতে ভোটার ভয়ভীতি বা প্রভাবমুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারেন। এটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি।

  3. গ)

    উদ্দীপকে নির্বাচন কমিশন নামক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। কারণ এটি সংবিধান অনুযায়ী ভোটার তালিকা তৈরি, নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ ও নির্বাচন পরিচালনা করে।

    নির্বাচন কমিশনের কাঠামো:
    ১. কমিশন একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) এবং আইনে নির্ধারিত সংখ্যক অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়ে গঠিত।
    ২. রাষ্ট্রপতি তাঁদের নিয়োগ দেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিত্ব করেন।
    ৩. তাঁদের চাকরির মেয়াদ ও শর্তাবলি রাষ্ট্রপতি আইন অনুযায়ী নির্ধারণ করেন। কমিশনের নিজস্ব সচিবালয় রয়েছে।

  4. ঘ)

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশন। "সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা অপরিসীম" উক্তিটি যথার্থ।

    ১. নির্বাচন আয়োজন: রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদ, স্থানীয় সরকার প্রভৃতি নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব কমিশনের।
    ২. প্রস্তুতিমূলক কাজ: ভোটার তালিকা প্রণয়ন, ভোটার আইডি কার্ড প্রদান, নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ, ভোটকেন্দ্র ও কর্মকর্তা নিয়োগ।
    ৩. নিরপেক্ষতা রক্ষা: রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের নিবন্ধন, আচরণবিধি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং প্রয়োজনে নির্বাচন বাতিল বা অনিয়মের প্রতিকার।
    ৪. বিরোধ নিষ্পত্তি: নির্বাচনি অনিয়মের অভিযোগ গ্রহণ ও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া।

    সুতরাং, নির্বাচন কমিশনের কার্যকর ভূমিকার ওপরই নির্বাচনের সুষ্ঠুতা ও গণতন্ত্রের সফলতা নির্ভর করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন