কৃষিশিক্ষা • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৪
কৃষিশিক্ষা প্রশ্ন
রফিক এ বছর ধান চাষ করে প্রচুর ফলন পাওয়ায় আগামী বছর ধান চাষের জন্য কিছু ধানবীজ সঠিক পদ্ধতিতে গোলায় সংরক্ষণ করে রাখে এবং পরবর্তী বছরেও প্রচুর ফলন হয়।
- ক)(1)
বীজ সংরক্ষণ কাকে বলে?
- খ)(2)
বীজের আর্দ্রতার হার নির্ণয়ের সূত্রটি লেখো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত পদ্ধতিটি বাদে আর কী কী পদ্ধতিতে বীজ সংরক্ষণ করা যায়- ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উক্ত পদ্ধতিতে বীজ সংরক্ষণ কতটুকু উপযোগী তা ব্যাখ্যা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
পরবর্তী মৌসুমে বপনের জন্য বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা ও গুণাগুণ ঠিক রেখে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিরাপদে রেখে দেওয়াকে বীজ সংরক্ষণ বলে।
- খ)
বীজের আর্দ্রতার হার নির্ণয়ের সূত্র—
- গ)
উদ্দীপকে রফিক গোলায় বীজ সংরক্ষণ করেছে। এ ছাড়া আরও যেসব পদ্ধতিতে বীজ সংরক্ষণ করা যায়, তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো—
১. মটকায় সংরক্ষণ: শুকনো বীজ মাটির মটকায় ভরে মুখ ঢাকনা ও কাদা দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়। এতে বাতাস ও আর্দ্রতা ঢুকতে পারে না।
২. টিন বা ড্রামে সংরক্ষণ: শুকনো বীজ টিনের পাত্র বা ড্রামে ভরে মুখ বায়ুরোধীভাবে আটকে রাখা হয়।
৩. বস্তায় সংরক্ষণ: শুকনো বীজ চটের বা পলিথিনের বস্তায় ভরে মাচার ওপর শুকনো ঘরে রাখা হয়।
৪. প্লাস্টিক বা কাচের পাত্রে সংরক্ষণ: অল্প পরিমাণ বীজ বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করা যায়।সব পদ্ধতিতেই বীজ ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হয়।
- ঘ)
রফিক যে গোলা পদ্ধতিতে ধানবীজ সংরক্ষণ করেছে, তা গ্রামীণ কৃষকের জন্য বেশ উপযোগী।
১. কম খরচ: গোলা বাঁশ, বেত, খড় ও মাটি দিয়ে সহজেই তৈরি করা যায়। ফলে কৃষকের বাড়তি খরচ হয় না।
২. সহজ পদ্ধতি: বিশেষ যন্ত্র বা প্রযুক্তির দরকার হয় না; কৃষক নিজেই তা করতে পারে।
৩. ভালো ফল: বীজ ভালোভাবে শুকিয়ে এবং সঠিক পদ্ধতিতে রাখলে অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা ঠিক থাকে। উদ্দীপকে রফিক পরের বছর প্রচুর ফলন পেয়েছে।
৪. সীমাবদ্ধতা: তবে ঘরের আর্দ্রতা, ইঁদুর ও পোকার আক্রমণের ঝুঁকি থাকে। তাই বীজ ভালো করে শুকানো এবং গোলা আর্দ্রতা ও ইঁদুর থেকে রক্ষা করা জরুরি।সুতরাং, সঠিক যত্নসহ গোলা পদ্ধতি অল্প পরিমাণ বীজ সংরক্ষণে উপযোগী।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও