ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০১৯

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন

যুথি ও জুহি সমঝোতার ভিত্তিতে একটি বিউটি পার্লার প্রতিষ্ঠা করেন এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে এর নিবন্ধন করিয়ে নেন। শর্ত মোতাবেক জুহি ব্যবসায়ে মূলধন বিনিয়োগ করবেন না। তাদের ব্যবসায় বেশ উন্নতি হচ্ছে। একজন দেনাদারের নিকট ২,০০০ টাকা পাওনা আদায় না হওয়ায় তারা আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা ভাবছেন।

  1. ক)

    চুক্তি কী?

    (1)
  2. খ)

    নাবালক বলতে কী বোঝায়

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের ব্যবসায়ে জুহি কোন ধরনের অংশীদার? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    পাওনা আদায়ে যুথি ও জুহি সক্ষম হবে কী না? ব্যাখ্যা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য বা কার্যকর চুক্তিযোগ্য সম্মতিকে চুক্তি বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৮৭৫ সালের চুক্তি আইন অনুযায়ী সাধারণত ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি এমন যেকোনো ব্যক্তিকে নাবালক বলা হয়। নাবালক চুক্তি করার ক্ষেত্রে আইনগতভাবে অযোগ্য বিবেচিত হয়; তাই তারা কোনো অংশীদারি ব্যবসায়ের পূর্ণাঙ্গ অংশীদার বা কোনো দায় গ্রহণকারী পক্ষ হতে পারে না। তবে সকল অংশীদারের সম্মতিতে নাবালককে কেবল মুনাফার সুবিধার্থে ব্যবসায়ের অংশী করা যেতে পারে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের ব্যবসায়ে জুহি হলেন একজন 'কর্মী অংশীদার' (Working Partner)।

    যে অংশীদার অংশীদারি ব্যবসায়ে কোনো মূলধন বিনিয়োগ করেন না, কিন্তু তাঁর নিজস্ব দক্ষতা, শ্রম ও মেধা দিয়ে সক্রিয়ভাবে ব্যবসায় পরিচালনায় অংশ নেন, তাকে কর্মী অংশীদার বলা হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এমন অংশীদার পরিচালনায় অংশগ্রহণের জন্য বেতন বা মুনাফার একটি নির্দিষ্ট অংশ লাভ করেন এবং সাধারণ অংশীদারের মতোই তাঁর দায়ও অসীম থাকে।

    উদ্দীপকে যুথি ও জুহি পার্লার প্রতিষ্ঠা করেছেন যেখানে শর্ত ছিল জুহি ব্যবসায়ে কোনো মূলধন বিনিয়োগ করবেন না। মূলধন না দিলেও তিনি সমঝোতার ভিত্তিতে ব্যবসায়ের অংশীদার হয়েছেন এবং সেবা বা ব্যবস্থাপনায় নিজের দক্ষতা প্রদান করছেন। সুতরাং, মূলধন ছাড়া ব্যবসায়ের সাথে জড়িত থাকায় জুহি একজন কর্মী অংশীদার।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, পাওনা আদায়ে যুথি ও জুহি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে সফল হবেন।

    ১৯৩২ সালের ভারতীয় অংশীদারি আইনের ৬৯ ধারা অনুযায়ী, একটি অনিবন্ধিত অংশীদারি প্রতিষ্ঠান কোনো তৃতীয় পক্ষের নিকট বা দেনাদারের নিকট ১০০ টাকার বেশি কোনো পাওনা আদায়ে আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে না। তবে অংশীদারি প্রতিষ্ঠানটি যদি আইনের বিধান মোতাবেক যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট নিবন্ধিত হয়ে থাকে, তবে প্রতিষ্ঠানটি যেকোনো পাওনা আদায়ে আদালতে দেওয়ানি মামলা করতে পারে এবং আইনের আশ্রয় নিতে কোনো বাধা থাকে না।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, যুথি ও জুহি তাদের বিউটি পার্লারটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে যথাযথভাবে নিবন্ধন করিয়ে নিয়েছেন। যেহেতু প্রতিষ্ঠানটি নিবন্ধিত, সেহেতু একজন দেনাদারের নিকট বকেয়া ২,০০০ টাকা আদায়ে তারা দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়েরের পূর্ণ আইনি অধিকার রাখেন।

    অতএব, আইনগতভাবে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন থাকায় যুথি ও জুহি দেনাদারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে তাদের ২,০০০ টাকা পাওনা আদায়ে সম্পূর্ণ সক্ষম হবেন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন