‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০১৯

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

জনাব সৈকত খান সরকারের একজন দক্ষ কর্মকর্তা। সরকার তাকে মাঠ প্রশাসনের প্রধান পদে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি অধীনস্থ মর প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণ করেন। অন্যদিকে জনাব রায়হানও মাঠ প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে কর্মরত। দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার মহান ব্রত নিয়ে তার বিভাগটি গঠিত হয়েছে।

  1. ক)

    বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থার প্রাণকেন্দ্র কোনটি?

    (1)
  2. খ)

    জলবায়ু পরিবর্তনের দুটি কারণ লেখো।

    (2)
  3. গ)

    জনাব সৈকত খান সরকারের যে পদে কর্মরত তার কার্যক্রম ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় জনাব রায়হানের বিভাগটি কোন ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে বলে তুমি মনে কর? যুক্তিসহ লেখো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থার প্রাণকেন্দ্র হলো বাংলাদেশ সচিবালয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জলবায়ু পরিবর্তনের দুটি প্রধান কারণ হলো:
    ১. জীবাশ্ম জ্বালানির (কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস) অত্যধিক দহন, যার ফলে বায়ুমণ্ডলে প্রচুর গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হয়।
    ২. নির্বিচারে বনভূমি ধ্বংস বা বৃক্ষনিধন, যার কারণে কার্বন ডাই-অক্সাইডের শোষণ কমে গিয়ে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব সৈকত খান সরকারের যে পদে কর্মরত, তা হলো জেলা প্রশাসক (Deputy Commissioner বা DC)। তিনি মাঠ প্রশাসনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    জেলা প্রশাসকের প্রধান কার্যাবলি নিম্নরূপ:
    ১. প্রশাসনিক কার্যক্রম: জেলার সার্বিক প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয় সাধন এবং অধীনস্থ উপজেলা ও অন্যান্য স্তরের কর্মকর্তাদের কাজ তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করা।
    ২. রাজস্ব সংক্রান্ত কার্যক্রম: জেলা কালেক্টর হিসেবে ভূমি রাজস্ব আদায়, খাসজমি ব্যবস্থাপনা এবং ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসা করা।
    ৩. সমন্বয় ও উন্নয়নমূলক কাজ: জেলার বিভিন্ন সরকারি বিভাগের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সমন্বয় রক্ষা করা এবং সরকারের নীতি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করা।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় জনাব রায়হানের বিভাগটি তথা 'পুলিশ বিভাগ' অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

    উদ্দীপকে দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মহান ব্রত নিয়ে গঠিত বিভাগটি হলো পুলিশ প্রশাসন। আইনের শাসনের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আইনের দৃষ্টিতে সকলের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। পুলিশ বিভাগ অপরাধ প্রতিরোধ, দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তার, তদন্ত পরিচালনা এবং অপরাধীদের আদালতের সোপর্দ করার মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।

    পুলিশ নিরপেক্ষভাবে কাজ করলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে যায় এবং সাধারণ নাগরিকদের জান-মালের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হয়। অন্যায়কারীকে আইনের আওতায় এনে এবং নিরীহ মানুষকে সুরক্ষা দিয়ে এই বিভাগটি সমাজে সমতা, ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন সুদৃঢ় করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন