উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২২

উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র প্রশ্ন

বিপণন মিশ্রণের চারটি উপাদান। নিম্নে এ উপাদানগুলো চিত্রের সাহায্যে দেখানো হলো-

  1. ক)

    প্রসার কী?

    (1)
  2. খ)

    বাজার বিভক্তিকরণ কেন প্রয়োজন? ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে খালি বক্সটির উপাদান কী? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    বিপণন মিশ্রণের চারটি উপাদান যে বিষয়কে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় তার গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ক্রেতাদের পণ্য বা সেবা সম্পর্কে অবহিত করা, ক্রয়ে উৎসাহিত ও প্ররোচিত করার সমন্বিত যোগাযোগ কার্যক্রমকে প্রসার (Promotion) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সমজাতীয় বৈশিষ্ট্য ও চাহিদার ভিত্তিতে একটি বৃহৎ ও অসমজাতীয় বাজারকে কতগুলো ছোট ছোট খণ্ডে বা উপ-বাজারে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াকে বাজার বিভক্তিকরণ বলে।

    সকল ভোক্তার পছন্দ, রুচি, ক্রয়ক্ষমতা এবং চাহিদা একরকম হয় না। সমগ্র বাজারকে একক কৌশল দিয়ে সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়। তাই প্রতিটি সুনির্দিষ্ট ভোক্তা দলের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক পণ্য ডিজাইন, উপযুক্ত বিপণন মিশ্রণ নির্ধারণ এবং সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য বাজার বিভক্তিকরণ প্রয়োজন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে খালি বক্সটির উপাদান হলো 'পণ্য' (Product)।

    বিপণন মিশ্রণ (Marketing Mix) মূলত চারটি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত, যা 4Ps নামে পরিচিত। এগুলো হলো— পণ্য (Product), মূল্য (Price), বণ্টন বা স্থান (Place) এবং প্রসার (Promotion)। উদ্দীপকের চিত্রে মূল্য, বণ্টন ও প্রসার উল্লেখিত থাকায় প্রথম খালি বক্সটিতে 'পণ্য' উপাদানটি বসবে।

    মানুষের অভাব বা প্রয়োজন মেটাতে পারে এমন যেকোনো কিছু, যা বাজারে মনোযোগ আকর্ষণ, অর্জন, ব্যবহার বা ভোগের জন্য উপস্থাপন করা হয়, তাকে পণ্য বলে। বিপণন মিশ্রণের ভিত্তিই হলো পণ্য। একটি প্রতিষ্ঠানের পণ্যের নকশা, গুণগত মান, বৈশিষ্ট্য, ব্র্যান্ডের নাম, মোড়কীকরণ ইত্যাদি বিষয় পণ্যের অন্তর্ভুক্ত। পণ্য না থাকলে মূল্য নির্ধারণ, বণ্টন বা প্রসার কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব নয়। সুতরাং উদ্দীপকের প্রথম উপাদানটি হলো পণ্য।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিপণন মিশ্রণের চারটি উপাদান যে বিষয়কে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, তা হলো 'ক্রেতা' বা 'ভোক্তা' (Customer / Target Market)। আধুনিক বিপণন ব্যবস্থায় ক্রেতাই সকল কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু।

    আধুনিক বিপণনে ভোক্তাই রাজা (Consumer is the King)। বিপণনের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্রেতার সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি মুনাফা অর্জন। নিম্নে ভোক্তা বা লক্ষ্যভুক্ত ক্রেতার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. পণ্য সৃষ্টি ও উন্নয়ন: ভোক্তার প্রয়োজন, অভাব ও চাহিদার ওপর ভিত্তি করে পণ্যের নকশা, আকার ও মান নির্ধারণ করা হয়।
    ২. মূল্য নির্ধারণ: লক্ষ্যভুক্ত ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতা এবং পণ্য থেকে প্রত্যাশিত মূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে পণ্যের দাম ধার্য করা হয়।
    ৩. বণ্টন প্রণালি নির্বাচন: ভোক্তারা কখন, কোথায় এবং কীভাবে পণ্য পেতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তা বিবেচনা করেই বণ্টন প্রণালি ঠিক করা হয়।
    ৪. প্রসার কার্যক্রম: ভোক্তার আচরণ, শিক্ষাগত স্তর ও মানসিকতার ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপন, ব্যক্তি বিক্রয় বা জনসংযোগের মতো প্রচার কৌশল নির্ধারণ করা হয়।
    ৫. প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা: ভোক্তার পরিবর্তিত পছন্দ ও সন্তুষ্টির দিকে নজর রেখে ব্যবসায়ের ধারাবাহিক অস্তিত্ব বজায় রাখা সম্ভব।

    অতএব, পণ্য, মূল্য, বণ্টন এবং প্রসার— বিপণন মিশ্রণের এই চারটি হাতিয়ার মূলত লক্ষ্যভুক্ত ক্রেতাকে সন্তুষ্ট করার জন্যই ব্যবহৃত ও আবর্তিত হয়। তাই বিপণনে ক্রেতা বা ভোক্তার গুরুত্ব অপরিসীম।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন