‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৩

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

'X' একজন সবজি চাষী। অতিরিক্ত মুনাফার লোভে তিনি অপরিপক্ক টমেটোতে ক্ষতিকর স্প্রে করে রং পরিবর্তন করেন, যা দেখতে অবিকল পাকা টমেটোর মত মনে হয়।

  1. ক)

    AIDS কী?

    (1)
  2. খ)

    জলবায়ু পরিবর্তন বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো নাগরিক সমস্যা সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত সমস্যা নিঃসরণে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়? মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    AIDS (Acquired Immune Deficiency Syndrome) হলো এইচআইভি (HIV) নামক ভাইরাসের সংক্রমণে সৃষ্ট একটি মরণব্যাধি, যা মানবদেহের প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জলবায়ু পরিবর্তন বলতে কোনো অঞ্চল বা সমগ্র বিশ্বের আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি (সাধারণত ৩০-৩৫ বছর বা তার বেশি সময়ের) গড় উপাদানসমূহ, যেমন—তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, বায়ুর আর্দ্রতা ইত্যাদির উল্লেখযোগ্য ও স্থায়ী পরিবর্তনকে বোঝায়। মানুষের প্রকৃতি-বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের ফলে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের আধিক্য এই পরিবর্তনের মূল কারণ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের সাথে আমার পঠিত অন্যতম নাগরিক সমস্যা 'খাদ্যে ভেজাল' বা 'অসাধু খাদ্যে রাসায়নিকের অপব্যবহার'-এর সাদৃশ্য রয়েছে।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, সবজি চাষী 'X' অতিরিক্ত মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে অপরিপক্ক টমেটোতে ক্ষতিকর রাসায়নিক স্প্রে করে কৃত্রিমভাবে রং পরিবর্তন করে তা পাকা টমেটোর মতো প্রদর্শন করছেন, যা সরাসরি খাদ্যে ভেজাল ও বিষাক্ত রাসায়নিক প্রয়োগের শামিল।

    পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠে খাদ্যে ভেজাল একটি মারাত্মক সামাজিক ও নাগরিক সমস্যা। অধিক মুনাফার আশায় খাদ্যে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কেমিক্যাল বা বিষাক্ত পদার্থ মেশানো জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি। উদ্দীপকে কৃষকের কর্মকাণ্ডটি নাগরিক স্বাস্থ্য ও নৈতিকতার পরিপন্থী খাদ্যে ভেজাল সমস্যার প্রতিচ্ছবি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারের সমস্যা নিরসনে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক:

    ১. আইনের কঠোর প্রয়োগ: নিরাপদ খাদ্য আইন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। ভেজালকারী ও অসদুপায় অবলম্বনকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও জরিমানার ব্যবস্থা করতে হবে।

    ২. নিয়মিত তদারকি ও মনিটরিং: ক্ষেত ও বাজার পর্যায়ে খাদ্যপণ্যের মান নিয়মিত পরীক্ষার জন্য কার্যকর খাদ্য পরীক্ষাগার স্থাপন ও তদারকি টিম সক্রিয় রাখতে হবে।

    ৩. চাষীদের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা: কৃষকদের রাসায়নিকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করতে হবে এবং নিরাপদ ও জৈব উপায়ে ফসল উৎপাদন ও সংরক্ষণের প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

    ৪. ভোক্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি: ক্ষতিকর রাসায়নিকযুক্ত খাদ্য চেনার উপায় ও প্রতিকার সম্পর্কে গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

    ৫. নৈতিক শিক্ষার প্রসার: অতিরিক্ত মুনাফালোভ পরিহার করে সৎভাবে ব্যবসা পরিচালনার জন্য নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের বিকাশ ঘটাতে হবে।

    উপরিউক্ত পদক্ষেপসমূহ কার্যকরভাবে গ্রহণ করলে এ মারাত্মক নাগরিক সমস্যা দূর করা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন