উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০১৭
উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র প্রশ্ন
কলেজের পাশে একটি দোকান আছে। সেখানে কাগজ, কলম, বই, খাতাসহ প্রয়োজনীয় টুকিটাকি জিনিসপত্র বিক্রি হয়। এর মালিক শহরের বড় দোকান থেকে বেশি পরিমাণ পণ্য কেনেন। এরপর চূড়ান্ত ব্যবহারকারীর কাছে তা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আকারে বিক্রি করেন। ফলে চূড়ান্ত ব্যবহারকারীদের সাথে মালিকদের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বড় বড় ব্যবসায়ীর পক্ষে এ ধরনের সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
- ক)(1)
হাইপার মার্কেট কাকে বলে?
- খ)(2)
পাইকারদের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের দোকানটি কোন ধরনের খুচরা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
বৃহদায়তন ব্যবসায়ীদের সাথে ভোক্তাদের সরাসরি সম্পর্ক গড়ে না ওঠার কারণ কী? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হাইপার মার্কেট হলো সুপারমার্কেট, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর এবং ডিসকাউন্ট স্টোরের সমন্বয়ে গঠিত এমন এক ধরনের বৃহদায়তন খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র, যেখানে খাদ্যসামগ্রীসহ যাবতীয় ভোগ্যপণ্য অত্যন্ত সুলভ মূল্যে একই ছাদের নিচে পাওয়া যায়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পাইকাররা উৎপাদক ও খুচরা বিক্রেতার মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করে। তারা উৎপাদকের কাছ থেকে এককালীন বিপুল পরিমাণ পণ্য ক্রয় করে তাদের বিক্রয় ঝুঁকি ও গুদামজাতকরণ ব্যয় কমায়। পাশাপাশি খুচরা বিক্রেতাদের সুবিধাজনক স্থানে ক্ষুদ্র পরিমাণে পণ্য সরবরাহ এবং ঋণ সুবিধা দিয়ে পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহ বজায় রাখে। তাই বিপণনে পাইকারদের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের দোকানটি হলো ‘সুবিধাজনক পণ্যের দোকান’ (Convenience Store) বা সাধারণ পণ্যের ক্ষুদ্র খুচরা ব্যবসায়।
যেসব খুচরা প্রতিষ্ঠান ক্রেতাদের সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করে তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সহজে ও স্বল্প সময়ে ক্রয়ের সুযোগ দেয়, সেগুলোকে সুবিধাজনক পণ্যের খুচরা দোকান বলা হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, দোকানটি কলেজের পাশে অবস্থিত এবং সেখানে ছাত্র-ছাত্রী ও স্থানীয়দের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাতা, কলম, বই ও টুকিটাকি জিনিস বিক্রি হয়। ক্রেতাদের সুবিধার্থে অবস্থান গ্রহণ ও ক্ষুদ্র আকারে প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের কারণে এটি সুবিধাজনক পণ্যের খুচরা বিপণি। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বৃহদায়তন ব্যবসায়ীদের পণ্য বণ্টনে মধ্যস্থতাকারীদের ওপর নির্ভরতা, ভৌগোলিক বিস্তৃতি এবং বিপণনের প্রকৃতির কারণে ভোক্তাদের সাথে সরাসরি সম্পর্ক গড়ে ওঠে না।
বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপক পরিসরে পণ্য উৎপাদন করে এবং পাইকার ও পরিবেশকের মাধ্যমে তা বাজারে ছড়ায়। এদের ক্রেতাসংখ্যা থাকে অগণিত এবং দেশজুড়ে বিস্তৃত। ফলে ব্যক্তিগত পর্যায়ে প্রতিটি ভোক্তার সাথে যোগাযোগ রাখা তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না।
উদ্দীপকে খুচরা বিক্রেতা সরাসরি ভোক্তার কাছে পণ্য বিক্রি করায় তাদের মধ্যে প্রত্যক্ষ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়। কিন্তু বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠানগুলো মধ্যস্থ ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করায় চূড়ান্ত ক্রেতাদের সান্নিধ্য পায় না, যার ফলে তাদের সাথে ভোক্তাদের সরাসরি সম্পর্ক গড়ে ওঠে না।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও