পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০১৯
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
শ্রেণিকক্ষে পৌরনীতি ও সুশাসনের শিক্ষক বলেন যে, সরকারের একটি অঙ্গ সরকারি অর্থ তহবিলের নিয়ন্ত্রক ও রক্ষক হিসেবে কাজ করে। এটি বির্তক সভা হিসেবেও কাজ করে থাকে। তিনি আরো বলেন যে, সরকারের আরেকটি অঙ্গ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিরোধের নিষ্পত্তি করে থাকে। নাগরিক স্বাধীনতা রক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান করাও এ বিভাগের কাজ।
- ক)(1)
সংসদ পরিচালনা করেন কে?
- খ)(2)
খাদ্যে ভেজাল বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের প্রথমে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানের সাথে তোমার খ. খাদ্যে ভেজাল বলতে কী বোঝায়? পাঠ্যবইয়ের কোন প্রতিষ্ঠানের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় উদ্দীপকের শেষোক্ত প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী ও অধিবেশন স্পিকার পরিচালনা করেন।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
খাদ্যে কোনো নিম্নমানের, অপদ্রব্য, ক্ষতিকর রাসায়নিক বা বিষাক্ত পদার্থ মিশ্রণ করা অথবা খাদ্য থেকে কোনো প্রয়োজনীয় গুণাগুণ অপসারণ করাকে খাদ্যে ভেজাল বলা হয়। এর ফলে খাদ্য তার স্বাভাবিক পুষ্টিগুণ ও বিশুদ্ধতা হারায় এবং মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের প্রথমে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের সরকারের 'আইন বিভাগ' বা 'জাতীয় সংসদ'-এর মিল রয়েছে।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইনসভা বা আইন বিভাগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি কেবল আইন প্রণয়নই করে না, বরং দেশের সরকারি অর্থ তহবিলের অভিভাবক ও রক্ষক হিসেবে কাজ করে। সরকারের বাজেট অনুমোদন, কর ধার্য বা ব্যয় বরাদ্দের ক্ষেত্রে আইনসভার পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক। এছাড়াও আইনসভা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার সর্বোচ্চ বির্তক সভা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
উদ্দীপকের শিক্ষক বলেছেন, সরকারের একটি অঙ্গ সরকারি অর্থ তহবিলের নিয়ন্ত্রক ও রক্ষক এবং এটি বিতর্ক সভা হিসেবে কাজ করে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো সরাসরি সরকারের আইন বিভাগের কার্যক্রমকে তুলে ধরে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় উদ্দীপকের শেষোক্ত প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ বিচার বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
বিচার বিভাগ হলো সরকারের তৃতীয় এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে। উদ্দীপকে উল্লেখিত রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠানের বিরোধ নিষ্পত্তি এবং নাগরিকের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বিধানের কাজটি মূলত বিচার বিভাগই করে থাকে।
আইনের শাসন বলতে বোঝায় আইনের চোখে সবাই সমান এবং বিনা বিচারে কাউকে শাস্তি দেওয়া যায় না। বিচার বিভাগ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ থাকলে তা নিশ্চিত হয়। বিচার বিভাগ সরকারের অপর দুটি অঙ্গ—আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের কার্যাবলির বৈধতা বিচার করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করে। কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার খর্ব হলে বিচার বিভাগ রিট জারির মাধ্যমে তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে। এছাড়া নিরপেক্ষ বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে।
সুতরাং, একটি দেশে আইনের শাসন সমুন্নত রাখা এবং নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে একটি দক্ষ ও স্বাধীন বিচার বিভাগের ভূমিকা অপরিহার্য ও অনস্বীকার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও