‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৭

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

অহনার প্রিয় সবজি টমেটো। সে বাজার থেকে সুন্দর রং দেখে দুই কেজি টমেটো ক্রয় করে। বাসায় এসে কেটে দেখে টমেটো পাকার মত হয়নি। এই টমেটো খেয়ে তার ছোট বোন মারিয়া অসুস্থ হয়ে পড়ল। অহনা বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ দোকানদারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে। বিজ্ঞ আদালত দোকানদারকে ঐ আইনের বিধান অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করেন।

  1. ক)

    ইভটিজিং কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    রাজনৈতিক অস্থিরতা কীভাবে দুর্নীতির বিকাশ ঘটায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে অহনার সমস্যাটি বাংলাদেশের কোন সমস্যার প্রতি ইঙ্গিত বহন করে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের অহনা যে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে তা প্রতিরোধে তুমি কী কী সুপারিশ করবে?

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রকাশ্যে বা সামাজিক পরিসরে নারী বা কিশোরীদের উদ্দেশ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত ইঙ্গিত, কটূক্তি, অশোভন আচরণ বা যৌন হয়রানি করাকে ইভটিজিং বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রাজনৈতিক অস্থিরতা আইনের শাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতাকে দুর্বল করে দেয়। যখন রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব বা অস্থিতিশীলতা চলে, তখন প্রশাসনের নজরদারি হ্রাস পায় এবং দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা রাজনৈতিক আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে অনৈতিক সুবিধা লাভ করে, যা সামগ্রিকভাবে দুর্নীতির বিস্তার ঘটায়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে অহনার সমস্যাটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সামাজিক ও জনস্বাস্থ্য সমস্যা 'খাদ্যে ভেজাল' দেওয়ার প্রতি ইঙ্গিত বহন করে।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, টমেটো দ্রুত পাকা ও আকর্ষণীয় রঙের দেখাতে সম্ভবত বিষাক্ত কেমিক্যাল বা কার্বাইড ব্যবহার করা হয়েছিল, যা খেয়ে অহনার ছোট বোন মারিয়া অসুস্থ হয়ে পড়ে। মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের এমন অনৈতিক খাদ্যে ভেজাল বা ক্ষতিকর রাসায়নিকের অপপ্রয়োগ বাংলাদেশের নাগরিকদের জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে অহনা খাদ্যে ভেজাল সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। এই সমস্যা প্রতিরোধে নিম্নোক্ত সুপারিশগুলো কার্যকর করা যেতে পারে:

    ১. নিরাপদ খাদ্য আইন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের কঠোর ও নিরপেক্ষ প্রয়োগ নিশ্চিত করা।
    ২. ভ্রাম্যমাণ আদালত (Mobile Court) এবং বিএসটিআই (BSTI)-এর নিয়মিত তদারকি ও অভিযান বৃদ্ধি করা।
    ৩. অসাধু ব্যবসায়ী ও রাসায়নিক অপব্যবহারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।
    ৪. কৃষক ও পাইকারি বিক্রেতাদের জন্য নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষণ ও পাকানোর আধুনিক প্রশিক্ষণ প্রদান।
    ৫. ভোক্তাদের মধ্যে গণসচেতনতা তৈরি করা এবং গণমাধ্যমে ভেজালের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারণা চালানো।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন