‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৩

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে 'X' রাষ্ট্রের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করে। ধারাবাহিক আন্দোলনের এক পর্যায়ে শাসকগোষ্ঠী একটি নতুন আইন করে রাষ্ট্রকে দু-ভাগে ভাগ করে। ফলস্রুতিতে দুটি পৃথক রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

  1. ক)

    ১৮৬১ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইন কী?

    (1)
  2. খ)

    প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোনো আইনের সাদৃশ্য আছে কী? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ আইনের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৮৬১ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইন হলো ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক প্রণীত একটি শাসনতান্ত্রিক আইন, যার মাধ্যমে ভারতে প্রথম প্রতিনিধিত্বশীল আইন পরিষদের সূচনা ঘটে এবং ভাইসরয়ের নির্বাহী ও আইন পরিষদে ভারতীয়দের অন্তর্ভুক্তির পথ সুগম হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে কেন্দ্র বা বহিরাগত নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে প্রদেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা প্রদেশ পরিচালনার ক্ষমতাকে বোঝায়। এতে সংবিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট প্রাদেশিক বিষয়ে স্থানীয় বা প্রাদেশিক সরকারগুলো কেন্দ্রের অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ ব্যতীত স্বাধীনভাবে শাসনকার্য পরিচালনা করতে পারে, যা ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে ভারতে প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের সাথে আমার পঠিত ১৯৪৭ সালের 'ভারত স্বাধীনতা আইন'-এর সাদৃশ্য রয়েছে।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে থাকা 'X' রাষ্ট্রের জনগণ স্বাধীনতার জন্য ধারাবাহিক আন্দোলন চালায়। এর প্রেক্ষিতে শাসকগোষ্ঠী একটি নতুন আইন প্রণয়ন করে দেশকে দ্বিখণ্ডিত করে দুটি পৃথক রাষ্ট্রের জন্ম দেয়।

    ঐতিহাসিকভাবে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে ভারতীয় উপমহাদেশের জনগণ দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম পরিচালনা করে। এর চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে 'ভারত স্বাধীনতা আইন, ১৯৪৭' পাস হয়। এ আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে এবং অবিভক্ত ভারত বিভক্ত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ডমিনিয়ন বা রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। অতএব, উদ্দীপকের ঘটনাটি ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের তাৎপর্য ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও যুগান্তকারী।

    প্রথমত, এই আইনের মাধ্যমে প্রায় দুইশত বছরের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটে। ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়।

    দ্বিতীয়ত, আইনটি ভারতীয় জনগণের দীর্ঘদিনের স্বাধীনতা আন্দোলন ও আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের দাবিকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। এর মাধ্যমে ভারতীয় ও পাকিস্তানিরা নিজেদের সংবিধান নিজেদের দ্বারা প্রণয়ন করার সার্বভৌম ক্ষমতা লাভ করে।

    তৃতীয়ত, এই আইন ব্রিটিশ সার্বভৌমত্ব ও ভারত সচিবের পদের বিলুপ্তি ঘটায় এবং গণপরিষদকে পূর্ণ আইন প্রণয়নের সার্বভৌম কর্তৃত্ব দেয়।

    তবে এই আইনের মাধ্যমে দেশভাগের ফলে বিশাল মানবিক বিপর্যয়, দাঙ্গা ও বাস্তুচ্যুতির মতো সংকটও তৈরি হয়েছিল। তা সত্ত্বেও, ঔপনিবেশিক শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীন জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশের ক্ষেত্রে ভারত স্বাধীনতা আইন ১৯৪৭ ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর দলিল।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন