পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৪

পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন

ফেরদৌস প্রথমবারের মতো ভোটার হয়ে উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে খুব খুশি। ভোট কেন্দ্রের সার্বিক ব্যবস্থা সে খুব আগ্রহের সাথে পর্যবেক্ষণ করলো। বাড়ি ফিরে বাবার কাছে জানতে চাইলো, এই নির্বাচন ব্যবস্থার সার্বিক দায়িত্বে কারা থাকেন, কীভাবে তারা দায়িত্ব পালন করেন? বাবা উত্তরে জানালেন, সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ভূমিকা পালন করে।

  1. ক)

    রাজনৈতিক দল কী?

    (1)
  2. খ)

    রাজনৈতিক দল কীভাবে জনমত গঠন করে?

    (2)
  3. গ)

    ফেরদৌস কোন পদ্ধতিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থায় অপরিহার্য- মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    রাজনৈতিক দল হলো কোনো রাষ্ট্রের একই আদর্শ ও লক্ষ্যে বিশ্বাসী নাগরিকদের সংগঠিত সংঘ, যারা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা লাভের চেষ্টা করে।

  2. খ)

    রাজনৈতিক দল সভা-সমাবেশ, মিছিল, বক্তৃতা ও প্রচারপত্রের মাধ্যমে নিজেদের নীতি ও কর্মসূচি জনগণের কাছে তুলে ধরে। সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমেও তারা জাতীয় সমস্যা নিয়ে মতামত প্রকাশ করে। এতে জনগণ বিভিন্ন বিষয়ে অবহিত হয় এবং নিজেদের মত গড়ে তোলে। এভাবে রাজনৈতিক দল জনমত গঠনে ভূমিকা রাখে।

  3. গ)

    ফেরদৌস প্রত্যক্ষ পদ্ধতিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে।

    যে পদ্ধতিতে ভোটাররা নিজেরা সরাসরি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচন করে, তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন বলে। উদ্দীপকে ফেরদৌস প্রথমবার ভোটার হয়ে নিজে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছে। মাঝখানে কোনো নির্বাচকমণ্ডলী নেই; সে সরাসরি জনপ্রতিনিধি বাছাই করেছে। তাই এটি প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে ভোট সাধারণত গোপন ব্যালটের মাধ্যমে দেওয়া হয়।

  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত সাংবিধানিকভাবে গঠিত প্রতিষ্ঠানটি হলো নির্বাচন কমিশন। আমার মতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থায় এটি অপরিহার্য।

    ১. নির্বাচন পরিচালনা: নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ভোটার তালিকা প্রণয়ন, ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ ও ভোটগ্রহণসহ সব কাজ নির্বাচন কমিশন সম্পন্ন করে।
    ২. নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা: সংবিধান অনুযায়ী কমিশন স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করে। এতে সরকার বা কোনো দলের প্রভাবমুক্ত থাকার সুযোগ থাকে।
    ৩. আচরণবিধি প্রয়োগ: প্রার্থী ও দল যেন বিধি মেনে চলে, তা তদারকি করা এবং লঙ্ঘনে ব্যবস্থা নেওয়া কমিশনের কাজ।

    সুতরাং, নির্বাচন কমিশন ছাড়া সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন