ভূগোল এবং পরিবেশ • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৪

ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন

'M' পর্যায় | 'N' পর্যায় | '০' পর্যায়
পেরেক তৈরি | কাঠ সংগ্রহ | শিক্ষক
লোহা শলাকা তৈরি | খনিজ উত্তোলন | পাইকারি বিক্রেতা

  1. ক)

    মাঝারি শিল্প কাকে বলে

    (1)
  2. খ)

    সম্পদের অপচয় রোধে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়? বর্ণনা করো।

    (2)
  3. গ)

    'M' পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বর্ণনা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    N' পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের তুলনায় 'O' পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফলে জীবনযাত্রার মান অনেক বেশি উন্নত- তুমি কি একমত? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    যে শিল্প শতাধিক শ্রমিকের সমন্বয়ে গঠিত হয়, তাকে মাঝারি শিল্প বলে। যেমন: চামড়া শিল্প ও তৈরি পোশাক শিল্প।

  2. খ)

    সম্পদের অপচয় রোধে 3R পদ্ধতি অনুসরণ করা যায়: সম্পদের ব্যবহার হ্রাস (Reduce), পুনর্ব্যবহার (Reuse) ও পুনঃনবায়ন বা রিসাইক্লিং (Recycle)। এছাড়া সৌরশক্তি ও জলবিদ্যুতের মতো নবায়নযোগ্য সম্পদ ব্যবহার, অজৈব সারের বদলে জৈব সার, সোপান চাষ ও শস্য আবর্তনের মাধ্যমে মৃত্তিকা সংরক্ষণ এবং বনায়ন করা যায়।

  3. গ)

    উদ্দীপকের ‘M’ পর্যায় হলো দ্বিতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড (Secondary economic activities)।

    এই পর্যায়ে মানুষ প্রথম পর্যায়ের কর্মকাণ্ডে উৎপাদিত সামগ্রীকে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গঠন ও আকার পরিবর্তন করে উপযোগিতা বৃদ্ধি করে। রন্ধন থেকে শুরু করে জটিল যন্ত্রপাতি তৈরি (Manufacturing) পর্যন্ত সব কাজ এর অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণস্বরূপ, প্রথম পর্যায়ে উত্তোলিত লৌহ আকরিক থেকে লৌহশলাকা ও পেরেক তৈরি করা হয়, যা ‘M’ পর্যায়ের কাজ।

  4. ঘ)

    N পর্যায়ে আছে কাঠ সংগ্রহ ও খনিজ উত্তোলন, যা প্রথম পর্যায়ের কর্মকাণ্ড। O পর্যায়ে আছে শিক্ষক ও পাইকারি বিক্রেতা, যা তৃতীয় পর্যায়ের কর্মকাণ্ড। আমি এই মন্তব্যের সাথে একমত।

    ১. প্রথম পর্যায়ে মানুষ প্রকৃতির সাথে সরাসরি কাজ করে, প্রধানত কায়িক শ্রমে। অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের ৫০–৮০ ভাগ মানুষ এ পর্যায়ে নিয়োজিত, কিন্তু তাদের আয় ও জীবনযাত্রার মান কম।
    ২. তৃতীয় পর্যায়ে ব্যবসা-বাণিজ্য, পরিবহন, শিক্ষা, চিকিৎসা প্রভৃতি সেবাকাজ দ্বারা প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের উৎপাদিত পণ্যের উপযোগিতা বাড়ে। উৎপাদনের উদ্বৃত্ত ঘাটতি অঞ্চলে পৌঁছায়।
    ৩. উন্নত দেশের ৮০ ভাগের বেশি মানুষ দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে কাজ করে। এসব দেশে শিক্ষার হার, মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান অনেক বেশি।

    সুতরাং, N-এর তুলনায় O পর্যায়ের কর্মকাণ্ডে জীবনযাত্রার মান অধিক উন্নত হয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন