পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩
পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন
১৯৮৫ সালে দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি রাষ্ট্র মিলে 'A' সংস্থাটি গড়ে তোলে। সংস্থাটি সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে জাতীয়ভাবে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য দরকারি উদ্যোগ গ্রহণ অরে। এছাড়াও সংস্থাটি শিক্ষার মানোন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে কাজ করে যাচ্ছে।
- ক)(1)
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব এর নাম কী?
- খ)(2)
লিগ অব নেশনস কেন স্থায়িত্ব লাভ করেনি?
- গ)(3)
'A' সংস্থাটির গঠন ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
বাংলাদেশের সাথে 'A' সংস্থাটির সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ট্রিগভে লি (Trygve Lie)।
- খ)
লিগ অব নেশনসের নিজস্ব কোনো সামরিক শক্তি ছিল না, তাই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা কঠিন ছিল। যুক্তরাষ্ট্র এর সদস্য হয়নি এবং বড় শক্তিগুলো নিজ স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিত। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় এটি স্থায়িত্ব লাভ করেনি।
- গ)
'A' সংস্থাটি সার্ক (SAARC) বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা। এর গঠন নিচে ব্যাখ্যা করা হলো।
১. ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
২. প্রতিষ্ঠাকালে সদস্য ছিল সাতটি দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ। পরে আফগানিস্তান সদস্য হয়।
৩. এর প্রধান অঙ্গ হলো শীর্ষ সম্মেলন, মন্ত্রিপরিষদ, স্থায়ী কমিটি, কারিগরি কমিটি ও সচিবালয়। সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।সুতরাং, সার্ক দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতার সংস্থা।
- ঘ)
সার্কের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক গভীর ও গুরুত্বপূর্ণ।
১. প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা: সার্ক গঠনের প্রস্তাব দেন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ঢাকায় প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
২. অর্থনৈতিক সুবিধা: সার্কের মাধ্যমে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বেড়েছে, যা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য সহায়ক।
৩. সামাজিক উন্নয়ন: শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দারিদ্র্য দূরীকরণে সার্কের কর্মসূচি বাংলাদেশের জন্য কল্যাণকর।
৪. আঞ্চলিক সমস্যা সমাধান: সার্ক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের মঞ্চ হিসেবে কাজ করে।সুতরাং, সার্ক বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্থা।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও