পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২১
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
পরিবারের বড় ছেলেটির বয়স ১৫ বছর। কিন্তু তার মাঝে নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা বিরাজমান। বয়সের তুলনায় তার বুদ্ধি কম, চঞ্চলতা বেশি, অসঙ্গতিপূর্ণ হাসি-কান্না, অস্বাভাবিক শারীরিক অঙ্গ-ভঙ্গি, যার ফলে ছোট ভাই- বোনেরা বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করলেও তাকে সাধারণ বিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়নি। তাকে ভর্তি করানো হয়েছে বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
- ক)(1)
দুদক এর পূর্ণরূপ কী?
- খ)(2)
ফরমালিনের দুটি অপব্যবহার লেখো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লেখিত ছেলেটির সমস্যাটি বাংলাদেশের কোন সমস্যার চিত্র বহন করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
এ ধরনের জনগোষ্ঠীর সমস্যা তুমি কীভাবে সমাধান করতে চাও? যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দুদক (ACC)-এর পূর্ণরূপ হলো 'দুর্নীতি দমন কমিশন' (Anti-Corruption Commission)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ফরমালিনের দুটি অপব্যবহার নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. মাছ, মাংস ও ফলমূল পচন থেকে রক্ষা করে দীর্ঘ দিন তাজা দেখানোর জন্য ক্ষতিকর মাত্রায় ফরমালিন ব্যবহার করা হয়।
২. দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্যদ্রব্য নষ্ট হওয়া ঠেকাতে বেআইনিভাবে ফরমালিন মেশানো হয়। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লেখিত ছেলেটির সমস্যাটি বাংলাদেশের 'প্রতিবন্ধিতা' (বিশেষ করে অটিজম বা মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধিতা) সমস্যার চিত্র বহন করে।
উদ্দীপকের ছেলেটির ১৫ বছর বয়সেও স্বাভাবিক বুদ্ধির ঘাটতি, অতিরিক্ত চঞ্চলতা, অসঙ্গতিপূর্ণ আচরণ ও অস্বাভাবিক শারীরিক অঙ্গ-ভঙ্গি প্রকাশ পায়, যা প্রতিবন্ধিতার স্পষ্ট লক্ষণ। সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ তার উপযোগী না হওয়ায় তাকে বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হয়েছে। বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক মানুষ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধিতা নিয়ে জীবনযাপন করে। পর্যাপ্ত সচেতনতা, বিশেষ সুযোগ-সুবিধা ও পুনর্বাসনের অভাবে এরা সমাজে প্রায়শই অবহেলিত ও বোঝা হিসেবে গণ্য হয়, যা দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সমস্যা।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর সমস্যা সমাধানে কেবল পরিবারের ওপর নির্ভর না করে সমন্বিত সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। এ ধরনের সমস্যা সমাধানে আমার প্রস্তাবিত যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপগুলো হলো:
১. বিশেষায়িত শিক্ষার প্রসার: প্রতিটি এলাকায় অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী শিশুদের উপযোগী বিশেষায়িত বিদ্যালয় স্থাপন এবং দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ করা।
২. কর্মসংস্থান ও কারিগরি প্রশিক্ষণ: তাদের শারীরিক ও মানসিক সামর্থ্য অনুযায়ী বৃত্তিমূলক ও হস্তশিল্পের প্রশিক্ষণ দিয়ে আত্মনির্ভরশীল করা।
৩. চিকিৎসাসেবা ও পুনর্বাসন: সরকারি উদ্যোগে সুলভে ও বিনামূল্যে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, থেরাপির সুযোগ এবং পুনর্বাসন কেন্দ্র নিশ্চিত করা।
৪. সামাজিক সচেতনতা ও অন্তর্ভুক্তি: প্রতিবন্ধীদের বোঝা না ভেবে সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে পরিবার ও সমাজে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো।
৫. আইনি অধিকার নিশ্চিতকরণ: 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩' কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা।যথাযথ পরিচর্যা, সহানুভূতি ও সুযোগ দিলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও দেশের সম্পদে পরিণত হতে পারে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও