যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২২

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    বিধেয়ক কী ?

    (1)
  2. খ)

    বিধেয় ও বিধেয়কের মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো ।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে ' বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন ' কোন ধরনের বিধেয়ক ? ব্যাখ্যা করো ।

    (3)
  4. ঘ)

    পাঠ্যবইয়ের আলোকে ‘ প্রাণী ' এবং ' মানুষ ' এর সম্পর্ক মূল্যায়ন । করো ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সদর্থক যুক্তিযুক্ত বাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ককে বিধেয়ক (Predicable) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিধেয় ও বিধেয়কের মধ্যে দুটি মূল পার্থক্য হলো:
    ১. বিধেয় হলো কোনো যুক্তিবাক্যের একটি পদ যা উদ্দেশ্য সম্পর্কে কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করে। পক্ষান্তরে, বিধেয়ক হলো সদর্থক যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের পারস্পরিক সম্বন্ধ বা সম্পর্ক।
    ২. বিধেয় সদর্থক ও নঞর্থক উভয় প্রকার যুক্তিবাক্যেই বিদ্যমান থাকে। কিন্তু বিধেয়ক কেবল সদর্থক যুক্তিবাক্যেই সম্ভব, নঞর্থক বাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যে কোনো বিধেয়ক সম্পর্ক থাকে না।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন' হলো একটি 'বিভেদক লক্ষণ' (Differentia) জাতীয় বিধেয়ক।

    ব্যাখ্যা: যে গুণ বা গুণাবলি একই জাতিভুক্ত একটি উপজাতিকে তার সমকক্ষ অন্যান্য উপজাতি থেকে পৃথক করে, তাকে বিভেদক লক্ষণ বলে। উদ্দীপকে পোরফিরির ছক অনুযায়ী মানুষের ক্ষেত্রে 'প্রাণী' হলো জাতি এবং 'মানুষ' হলো উপজাতি। মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে মৌলিক পার্থক্য গড়ে দেয় মানুষের বিশেষ গুণ 'বুদ্ধিবৃত্তি'। বুদ্ধিবৃত্তির কারণেই মানুষ অন্যান্য সকল প্রাণী (যেমন: গরু, ঘোড়া, পাখি ইত্যাদি) থেকে স্বতন্ত্র হয়ে ওঠে। সুতরাং, 'মানুষ' উপজাতির জন্য 'বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন' গুণটি হলো বিভেদক লক্ষণ বিধেয়ক।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পাঠ্যবইয়ের আলোকে উদ্দীপকের ‘প্রাণী’ এবং ‘মানুষ’ এর সম্পর্কটি হলো জাতি (Genus) ও উপজাতি (Species)-র সম্পর্ক।

    যুক্তিবিদ্যায় যখন দুটি শ্রেণিবাচক পদ এমনভাবে সম্পর্কিত থাকে যে, একটির ব্যক্ত্যর্থ বা পরিধি অপেক্ষাকৃত বেশি এবং তা অন্যটিকে নিজের অন্তর্ভুক্ত করে, তখন বৃহত্তর শ্রেণিটিকে ‘জাতি’ এবং অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতর শ্রেণিটিকে ‘উপজাতি’ বলা হয়।

    উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়:
    ১. 'প্রাণী' পদের ব্যক্ত্যর্থ 'মানুষ' পদের ব্যক্ত্যর্থের চেয়ে অনেক বেশি ব্যাপক। জীবজগতের সকল জীবই প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত, যার একটি বিশেষ অংশ হলো মানুষ। তাই 'মানুষ' পদের তুলনায় 'প্রাণী' হলো একটি 'জাতি'।
    ২. অন্যদিকে, 'মানুষ' পদটি 'প্রাণী' জাতির অন্তর্ভুক্ত একটি সুনির্দিষ্ট অংশ। ফলে 'প্রাণী' জাতির সাপেক্ষে 'মানুষ' হলো একটি 'উপজাতি'।
    ৩. এদের সম্পর্কটি আপেক্ষিক। কারণ 'মানুষ' যেমন 'প্রাণী'র সাপেক্ষে উপজাতি, তেমনি 'প্রাণী' হলো 'মানুষ' এর সাপেক্ষে জাতি (পরবর্তীকালে 'সতর্ক মানুষ', 'অসতর্ক মানুষ' ইত্যাদি বিভাগের ক্ষেত্রে মানুষ নিজেই আবার জাতি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে)।

    সুতরাং, যুক্তিবিদ্যার নিয়ম ও পোরফিরির ছক অনুযায়ী ‘প্রাণী’ এবং ‘মানুষ’ এর মধ্যকার সম্পর্কটি হলো একটি যথার্থ জাতি ও উপজাতির সম্পর্ক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন