‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২২

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

আব্দুল হালিম ও মো. সাইফুল্লাহ একটি অবহেলিত পিছিয়ে পড়া,দুর্দশা গ্রস্থ সম্প্রদায়ের বাসিন্দা। শিক্ষানুরাগ ও পাণ্ডিত্যের জন্য সরকার আব্দুল হালিম কে আইন পরিষদের সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সদস্য নিয়োগ করে। সরকারের আনুকূল্য কাজে লাগিয়ে তিনি নিজ সম্প্রদায়কে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য শিক্ষাসংস্কারমূলক নানান পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। মো. সাইফুল্লাহ নবাব পরিবারের সন্তান হলেও নিজ সম্প্রদায়কে শিক্ষিত সচেতন এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যাপক অবদান রেখে স্মরণীয় হয়ে আছেন।

  1. ক)

    ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন?

    (1)
  2. খ)

    বারাসাত বিদ্রোহ কী?

    (2)
  3. গ)

    আব্দুল হালিমের সাথে তোমার পঠিত যে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মিল রয়েছে তার অবদান ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    মো. সাইফুল্লাহর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তির রাজনীতি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান মূল্যায়ন কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতা ছিলেন হাজী শরীয়তউল্লাহ।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ব্রিটিশ শাসন ও স্থানীয় জমিদার-নীলকরদের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে মীর নিসার আলী তিতুমীর চব্বিশ পরগনার বারাসাত অঞ্চলে যে সশস্ত্র কৃষক বিদ্রোহ সংগঠিত করেছিলেন, তা-ই ইতিহাসে বারাসাত বিদ্রোহ নামে পরিচিত। তিতুমীর নারকেলবাড়িয়ায় বাঁশের কেল্লা তৈরি করে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের আব্দুল হালিমের সাথে পঠিত ব্যক্তিত্ব সৈয়দ আমীর আলীর মিল রয়েছে। সৈয়দ আমীর আলী উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে পিছিয়ে পড়া মুসলিম সমাজকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ও সচেতন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, আইন পরিষদের সদস্য এবং প্রিভি কাউন্সিলের প্রথম ভারতীয় সদস্য হিসেবে সরকারের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে মুসলিম স্বার্থরক্ষায় ব্রতী হন। মুসলমানদের রাজনৈতিক ও শিক্ষাগত অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি ১৮৭৭ সালে 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' গঠন করেন এবং শিক্ষার প্রসারে নানা পদক্ষেপ নেন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের মো. সাইফুল্লাহর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হলেন ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ।

    শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান: মুসলিমদের মধ্যে আধুনিক শিক্ষা বিস্তারের উদ্দেশ্যে নবাব সলিমুল্লাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৯০৬ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনের উদ্যোগ নেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে জমি ও অর্থ প্রদান করেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল বর্তমানে বুয়েট-এ রূপান্তরিত হয়েছে।

    রাজনীতি ক্ষেত্রে অবদান: ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন জানিয়ে তিনি পূর্ব বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ অনগ্রসর জনগণের স্বার্থ সুরক্ষায় কাজ করেন। মুসলমানদের একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক মঞ্চের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে ১৯০৬ সালে তাঁরই নেতৃত্বে ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ গঠিত হয়, যা ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের পৃথক রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে। অতএব, শিক্ষা ও রাজনীতি উভয় ক্ষেত্রেই তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন