ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
সাইফুল সাহেবের নিজের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান "মিলেনিয়াম ফার্নিচার লিমিটেড"।১৫ বছর আগে তিনি একাই প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করেছিল। পরে আরো ছয় জন ব্যক্তির সমন্বয়ে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রতিষ্ঠানটিকে কোম্পানিতে রূপান্তর করেন। জনগণের নিকট শেয়ার বিক্রি করে সংগ্রহীত মূলধনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম অনেক বিস্তৃত হয়েছে। উদ্যোক্তাদের মধ্যে সাইফুল সাহেব ছাড়া বাকি সবাই শেয়ার বিক্রি করে চলে গেছেন।
- ক)(1)
স্মারকলিপি কি?
- খ)(2)
তফসিল-১ কখন ব্যবহার করা হয়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি কোন প্রকৃতির কোম্পানি? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্যোক্তাদের বেশিরভাগ শেয়ার বিক্রি করা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি চলমান থাকার মূল কারণটি বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোম্পানির মূল দলিল, সনদ বা সংবিধানকে স্মারকলিপি বা পরিমেলবন্ধ বলে, যাতে কোম্পানির নাম, নিবন্ধিত কার্যালয়ের ঠিকানা, উদ্দেশ্য, মূলধন, দায় ও সম্মতি সংক্রান্ত মৌলিক বিষয়সমূহ লিপিবদ্ধ থাকে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
শেয়ার দ্বারা সীমিত পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি যদি নিজস্ব কোনো পরিমেল নিয়মাবলী বা সংঘবিধি তৈরি ও নিবন্ধন না করে, তবে কোম্পানি আইনের তফসিল-১ কে ঐ কোম্পানির পরিমেল নিয়মাবলী হিসেবে গ্রহণ ও ব্যবহার করা হয়। কোম্পানি চাইলে তফসিল-১ সম্পূর্ণ বা আংশিক গ্রহণ করতে পারে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের 'মিলেনিয়াম ফার্নিচার লিমিটেড' একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
যে কোম্পানির সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন ৭ জন এবং সর্বোচ্চ শেয়ার দ্বারা সীমাবদ্ধ এবং যা জনসাধারণের কাছে শেয়ার ও ঋণপত্র বিক্রির আহ্বান জানাতে পারে এবং যার শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য, তাকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি বলে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সাইফুল সাহেব প্রথমে একাকী ব্যবসা শুরু করলেও পরবর্তীতে আরো ছয় জন অর্থাৎ মোট সাত জন ব্যক্তির সমন্বয়ে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রতিষ্ঠানটিকে কোম্পানিতে রূপান্তর করেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি জনসাধারণের নিকট শেয়ার বিক্রি করে মূলধন সংগ্রহ করেছে এবং উদ্যোক্তাদের অনেকেই নিজেদের শেয়ার অন্যের কাছে বিক্রি করে চলে গেছেন। এসব বৈশিষ্ট্য প্রমাণ করে যে প্রতিষ্ঠানটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্যোক্তাদের বেশিরভাগ শেয়ার বিক্রি করা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি চলমান থাকার মূল কারণ হলো কোম্পানির 'চিরন্তন অস্তিত্ব' (Perpetual Succession)।
আইনগতভাবে সৃষ্ট কোম্পানি কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অধিকারী এবং এর অস্তিত্ব সদস্যদের অস্তিত্ব থেকে সম্পূর্ণ পৃথক। ফলে কোনো শেয়ারহোল্ডার বা উদ্যোক্তার শেয়ার হস্তান্তর, মৃত্যু, দেউলিয়াত্ব বা চলে যাওয়ায় কোম্পানির আইনগত অস্তিত্ব বিলোপ পায় না। শেয়ারহোল্ডাররা শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে মালিকানা পরিবর্তন করলেও কোম্পানি তার নিজস্ব স্বকীয়তায় টিকে থাকে।
উদ্দীপকে সাইফুল সাহেব ব্যতীত বাকি সব উদ্যোক্তা শেয়ার বিক্রি করে প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে গেছেন। যেহেতু এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি এবং এর শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য, তাই উদ্যোক্তাদের শেয়ার বিক্রির কারণে শুধু মালিকানার পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু কোম্পানির অস্তিত্বে কোনো প্রভাব পড়েনি। নতুন শেয়ার গ্রহীতারা মালিকানায় যুক্ত হয়েছেন এবং প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অতএব, কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা ও চিরন্তন অস্তিত্বের কারণেই বেশিরভাগ মূল উদ্যোক্তা শেয়ার বিক্রি করা সত্ত্বেও কোম্পানিটি চলমান রয়েছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও