‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৯

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    ফরায়েজি আন্দোলনের প্রবক্তা কে?Option A

    (1)
  2. খ)

    বারাসাত বিদ্রোহ বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে প্রশ্ন চিহ্নিত (?) স্থানের ব্যক্তি বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে কী ভূমিকা রেখেছিলেন? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টিতে তাঁর অবদান মূল্যায়ন কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ফরায়েজি আন্দোলনের প্রবক্তা হলেন হাজী শরীয়তউল্লাহ।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ব্রিটিশ শাসন এবং স্থানীয় জমিদার ও নীলকরদের শোষণ ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে মীর নিসার আলী তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত সশস্ত্র সংগ্রামই বারাসাত বিদ্রোহ নামে পরিচিত।
    তিতুমীর চব্বিশ পরগনার বারাসাত মহকুমায় বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করে ইংরেজ ও জমিদারদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ১৮৩১ সালে ইংরেজ বাহিনীর সাথে কামানের অসম যুদ্ধে তিতুমীর বীরত্বের সাথে লড়াই করে শহীদ হন। এই ঐতিহাসিক প্রতিরোধই বারাসাত বিদ্রোহ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে প্রশ্ন চিহ্নিত (?) স্থানের ব্যক্তি হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

    বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা ছিল অনন্য ও অবিসংবাদিত। উদ্দীপকের তথ্যানুযায়ী, তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের অন্যতম শীর্ষ নেতা, ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ৬ দফার প্রণেতা এবং ১৯৬৮ সালের তথাকথিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন এবং ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি বাঙালি জাতিকে অধিকার সচেতন করে তোলেন। ৬ দফা কর্মসূচিকে বলা হয় বাঙালির মুক্তির সনদ বা 'ম্যাগনা কার্টা', যা বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনাকে এক অভূতপূর্ব গতি দেয়। আগরতলা মামলার মধ্য দিয়ে তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে ওঠে এবং বাঙালি জাতি নিজেদের একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক সত্তা হিসেবে উপলব্ধি করে ঐক্যবদ্ধ হতে শেখে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান ছিল মূল চালিকাশক্তি ও অবিসংবাদিত।

    বঙ্গবন্ধু বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনকে ধারাবাহিকভাবে স্বাধীনতা সংগ্রামে রূপান্তর করেছিলেন। ১৯৬৬ সালের ৬ দফার মাধ্যমে তিনি স্বায়ত্তশাসনের দাবি তোলেন, যা বাঙালির মুক্তির পথনির্দেশক হয়। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে তিনি 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন এবং অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত হন। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বাঙালির বৈধ প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠা করে।

    পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করলে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম" ঘোষণা দিয়ে জাতিকে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করেন। ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার হওয়ার পূর্বমুহূর্তে অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর নাম ও নির্দেশনায় নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে অর্জিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

    অতএব, স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব, আত্মত্যাগ ও দূরদর্শিতা ছিল সর্বাগ্রে ও অনস্বীকার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন