পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
মি. 'X' প্রায়ই হাসপাতালের রক্তদান করতেন। হঠাৎ করে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেন, দীর্ঘদিন ধরে সাধারন সর্দি -কাশিও নিরাময় হচ্ছিল না। ডাক্তার পরীক্ষা করে বললেন তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে গেছে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস হলো তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা। ছোট মেয়েটি এখনও মায়ের দুধ পান করছে । বড় ছেলেটি 'X'- এর হাতে নিয়মিত ভাত খেত।
- ক)(1)
বিশেষ চাহিদার জনগোষ্ঠী কারা?
- খ)(2)
দুর্নীতি প্রতিরোধে পরিবার কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে?
- গ)(3)
উদ্দীপকে মি. 'X' কোন দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে মি. 'X' এর পরিবারের কোন কোন সমস্যা ওই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যাঁরা শারীরিক, মানসিক, ইন্দ্রিয়গত বা আচরণগত প্রতিবন্ধকতার কারণে সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপনে স্বাভাবিক সক্ষমতা রাখেন না এবং বিশেষ সেবা বা সুযোগের প্রয়োজন হয়, তাঁদের বিশেষ চাহিদার জনগোষ্ঠী বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পরিবার হলো সামাজিক মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষার প্রাথমিক বিদ্যাপীঠ। পরিবারে শৈশব থেকেই সততা, ন্যায়পরায়ণতা, অন্যের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা এবং অন্যায়ের প্রতি ঘৃণা জাগ্রত করার শিক্ষা দেওয়া হয়। পরিবারের অভিভাবকরা যদি নিজেরা সৎ জীবনযাপন করেন এবং সন্তানদের অনৈতিক উপায়ে অর্জিত অর্থের কুফল সম্পর্কে সচেতন করেন, তবে পরিবার থেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় মানসিকতা গড়ে ওঠে যা দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মি. 'X' মরণব্যাধি এইডস (AIDS - Acquired Immune Deficiency Syndrome)-এ আক্রান্ত।
এইচআইভি (HIV) ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে মানুষের শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে ধীরে ধ্বংস হয়ে যায়। এর ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি সাধারণ রোগজীবাণু বা সর্দি-কাশির মতো সংক্রমণ থেকেও সহজে আরোগ্য লাভ করতে পারে না। উদ্দীপকে দেখা যায়, রক্তদানের ইতিহাস থাকা মি. 'X' অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাঁর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে দীর্ঘদিনের সাধারণ সর্দি-কাশিও সারছে না। এসব লক্ষণ এইচআইভি ভাইরাসের সংক্রমণ ও এইডস রোগের প্রত্যক্ষ বহিঃপ্রকাশ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মি. 'X'-এর পরিবারের সদস্য অর্থাৎ তাঁর স্ত্রী এবং সন্তানদের মধ্যে স্ত্রী ও দুগ্ধপোষ্য ছোট মেয়েটি এইডস রোগে আক্রান্ত হওয়ার সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে।
এইচআইভি মূলত অরক্ষিত শারীরিক সম্পর্ক, সংক্রমিত রক্ত গ্রহণ এবং আক্রান্ত মায়ের মাধ্যমে গর্ভস্থ সন্তান বা দুগ্ধপানকারী শিশুর শরীরে সংক্রমিত হয়। সাধারণ স্পর্শ, একত্রে খাওয়া বা পরিচর্যার মাধ্যমে এইচআইভি ছড়ায় না।
উদ্দীপকের প্রেক্ষাপটে:
১. মি. 'X'-এর স্ত্রী তাঁর সাথে বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে প্রত্যক্ষভাবে এইচআইভি সংক্রমণের তীব্র ঝুঁকিতে রয়েছেন।
২. স্ত্রী আক্রান্ত হয়ে থাকলে তাঁর গর্ভস্থ অনাগত শিশুটিও গর্ভকালীন বা প্রসবকালীন সময়ে সংক্রমিত হতে পারে।
৩. ছোট মেয়েটি যদি মি. 'X'-এর স্ত্রীর মাধ্যমে (যদি স্ত্রী ইতিমধ্যে আক্রান্ত হন) বুকের দুধ পান করে থাকে, তবে মাতৃদুগ্ধের মাধ্যমে সে-ও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।তবে মি. 'X'-এর বড় ছেলেটি কেবল তাঁর হাতে ভাত খাওয়ার কারণে সংক্রমিত হওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই, কারণ লালা বা একত্রে খাবার গ্রহণে এইচআইভি ছড়ায় না। অতএব, মি. 'X'-এর স্ত্রী এবং তাঁর ওপর নির্ভরশীল শিশুরা এই মারাত্মক ঝুঁকির আওতাভুক্ত।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও