ব্যবসায় উদ্যোগ • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২২
ব্যবসায় উদ্যোগ প্রশ্ন
রহিম কৃষি ডিপ্লোমা সম্পন্ন করে চাকরির জন্য বসে না থেকে ইউটিউবে সার্চ করে বিভিন্ন দেশের কৃষি সম্পর্কে খোঁজ নেন। তিনি একটি দেশের উচ্চফলনশীল ও অধিক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ধান সম্পর্কে জানতে পারেন। এর ফলে তিনি ধান চাষে আগ্রহী হন। তিনি ১ একর জমিতে ধান আবাদ করেন। প্রথম বছরেই তিনি অনেক মুনাফা করেন। রহিমের ধান আবাদের ওপর BTV-তে একটি প্রতিবেদন প্রচার করা হলে প্রতিবেদনটি দেখে অনেক বেকার যুবক ধান চাষে আগ্রহী হয়।
- ক)(1)
প্রশিক্ষণ কী?
- খ)(2)
নট্রামস কী? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে পরিবেশের কোন উপাদান রহিমকে ধান চাষে আগ্রহী করে তোলে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা উন্নয়নে রহিমের পেশাটির অবদান মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
কর্মীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মানসিকতা বিকাশের জন্য গৃহীত অবিরাম ও নিয়মিত প্রচেষ্টাকে প্রশিক্ষণ বলে।
- গ)
উদ্দীপকে পরিবেশের প্রযুক্তিগত উপাদান, বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রহিমকে ধান চাষে আগ্রহী করে তুলেছে।
ব্যবসায়িক পরিবেশের ছয়টি উপাদানের একটি প্রযুক্তিগত পরিবেশ। এর মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, কারিগরি দক্ষতা ও উন্নত প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত। উদ্দীপকে রহিম চাকরির জন্য বসে না থেকে ইউটিউবে সার্চ করে বিভিন্ন দেশের কৃষি সম্পর্কে জানেন। এভাবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তিনি একটি দেশের উচ্চফলনশীল ও অধিক পুষ্টিগুণসম্পন্ন ধানের খোঁজ পান। প্রযুক্তি তাঁকে নতুন ধান সম্পর্কে তথ্য দিয়েছে, যা তাঁকে ধান চাষে আগ্রহী করেছে।
- ঘ)
দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা উন্নয়নে রহিমের ধান চাষের পেশা, অর্থাৎ আত্মকর্মসংস্থানমূলক কৃষি উদ্যোগ, গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
১. কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব হ্রাস: রহিম চাকরির অপেক্ষায় না থেকে নিজেই কর্মসংস্থান তৈরি করেছেন। তাঁর সাফল্য দেখে অনেক বেকার যুবক ধান চাষে আগ্রহী হয়েছে। এতে বেকার সমস্যা কমছে।
২. আয় ও উৎপাদন বৃদ্ধি: তিনি প্রথম বছরেই অনেক মুনাফা করেছেন। উচ্চফলনশীল ধানে উৎপাদন বাড়ে, ফলে জাতীয় আয়ও বাড়ে।
৩. সম্পদের সঠিক ব্যবহার: তাঁর কৃষি উদ্যোগ জমি ও মানব সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করে। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ, তাই এ খাতের উন্নয়ন অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে।
৪. পরনির্ভরশীলতা হ্রাস ও অনুপ্রেরণা: খাদ্য উৎপাদন বাড়লে আমদানিনির্ভরতা কমে এবং স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব হয়। রহিমের মতো শিক্ষিত তরুণ কৃষিতে এলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।
সুতরাং, রহিমের পেশা কর্মসংস্থান, উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধিসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও