বাংলা ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০১৯

বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন

2.1.

বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখো।

2.2.

যেকোনো পাঁচটি শব্দের বানান শুদ্ধ করে লেখো:আতোস্মসর্পণ, মূহূর্ত্ত, নিরপরাধী, উজ্জল্য, সন্মিলিত, দৈন্যতা, অহঃরাত্র, পিপিলিকা।

উত্তর ও ব্যাখ্যা

AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

স্পষ্ট অনুমান: এইচএসসি বাংলা ২য় পত্রের প্রশ্নকাঠামো অনুসারে ২.১ অথবা ২.২ এর যেকোনো একটি উত্তর করা বাধ্যতামূলক হলেও সার্বিক পর্যালোচনার জন্য উভয়টির উত্তর সংকলিত হয়েছে।

২.১. বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ নিচে উল্লেখ করা হলো:

১. রেফ-এর পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব বর্জন: শব্দের মধ্যে রেফ (র্)-এর পর কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব রূপ হবে না। যেমন: কর্ম (কর্ম্ম নয়), কার্য (কার্য্য নয়), সূর্য (সূর্য্য নয়), অর্জন (অর্boxesজ্জ নয়—বর্জনীয় রূপ বর্জন করে কেবল 'অর্জন')।

২. অতৎসম শব্দে ই/উ-কার: সকল অতৎসম (তদ্ভব, দেশি, বিদেশি ও মিশ্র) শব্দে কেবল হ্রস্ব 'ই' (ি) এবং হ্রস্ব 'উ' (ু) কারচিহ্ন ব্যবহৃত হবে; দীর্ঘ 'ঈ' (ী) বা দীর্ঘ 'ঊ' (ূ) হবে না। যেমন: গাড়ি, শাড়ি, বাড়ি, চুন, টুপি, ইংরেজি।

৩. অতৎসম শব্দে 'ণ' বর্জন: তৎসম ছাড়া অন্যান্য সকল শব্দে কেবল দন্ত্য-'ন' ব্যবহৃত হবে, কখনো মূর্ধন্য-'ণ' হবে না। যেমন: কান, সোনা, কোরআন, কর্নার, স্টেশন।

৪. অতৎসম শব্দে 'ষ' বর্জন: বিদেশি ও অতৎসম শব্দে মূর্ধন্য-'ষ' ব্যবহার করা যাবে না; ক্ষেত্র অনুযায়ী 'শ' বা 'স' বসবে। যেমন: পোশাক, কিশমিশ, স্টেশন, বাস, আগস্ট।

৫. স্ত্রীবাচক অতৎসম শব্দে ই-কার: অতৎসম স্ত্রীবাচক শব্দের শেষে দীর্ঘ 'ঈ'-কার না হয়ে হ্রস্ব 'ই'-কার হবে। যেমন: নানি, দাদি, মাসি, চাচি, মামি।


২.২. প্রদত্ত শব্দগুলোর শুদ্ধ রূপ (যেকোনো পাঁচটি আবশ্যক, এখানে সবগুলোর শুদ্ধ রূপ দেওয়া হলো):

অশুদ্ধ রূপশুদ্ধ রূপ
আতোস্মসর্পণআত্মসমর্পণ
মূহূর্ত্তমুহূর্ত
নিরপরাধীনিরপরাধ
উজ্জল্যঔজ্জ্বল্য / উজ্জ্বলতা
সন্মিলিতসম্মিলিত
দৈন্যতাদীনতা / দৈন্য
অহঃরাত্রঅহোরাত্র
পিপিলিকাপিপীলিকা

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন