উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২২
উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র প্রশ্ন
জনাব রাজিব নিজস্ব পুঁজি, শ্রম ও দক্ষতা দিয়ে একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। বছর দুয়েক পর ব্যবসায়ের কর্মপরিধি বৃদ্ধি পেলে তিনি তাঁর অপর এক বন্ধুর সাথে সমান লাভ লোকসান বণ্টনের মাধ্যমে চুক্তিতে আবদ্ধ হন। বর্তমানে দু’বন্ধু মিলে ব্যবসায়টিকে আরও সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাচ্ছেন।
- ক)(1)
সঞ্চয় কী?
- খ)(2)
সংগঠন পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ করে ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকে জনাব রাজিব প্রাথমিক পর্যায়ে কোন ধরনের সংগঠন পরিচালনা করেন? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
“উদ্দীপকে বর্ণিত পরবর্তী পর্যায়ের সংগঠনটির গোপনীয়তা প্রথম পর্যায়ের সংগঠনের তুলনায় কম।” পরবর্তী পর্যায়ের সংগঠনটির ধরন উল্লেখপূর্বক মতামত বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বর্তমান আয়ের যে অংশ ভোগ বা বর্তমান ব্যয় না করে ভবিষ্যতের জন্য জমা রাখা হয়, তাকে সঞ্চয় বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সংগঠন হলো লক্ষ্য অর্জনের জন্য নিয়োজিত বিভিন্ন ব্যক্তি ও বিভাগের মধ্যে দায়িত্ব ও কর্তৃত্বের সুস্পষ্ট বিভাজন, যা পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ করে।
সংগঠনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে কে কার অধীনে কাজ করবে, কার কাছে কাজের জন্য জবাবদিহি করবে এবং কার কর্তৃত্ব কতটুকু হবে তা নির্দিষ্ট করা হয়। এর ফলে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের মধ্যে একটি নিয়মতান্ত্রিক ও কার্যকর পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং কাজের সমন্বয় নিশ্চিত হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে জনাব রাজিব প্রাথমিক পর্যায়ে 'একমালিকানা সংগঠন' পরিচালনা করেন।
যে ব্যবসায়ের মালিক একজন মাত্র ব্যক্তি এবং যিনি নিজে পুঁজির সংস্থান করেন, পরিচালনা করেন এবং সকল ঝুঁকি ও লাভ-লোকসান বহন করেন, তাকে একমালিকানা ব্যবসায় বলে।
উদ্দীপকে উল্লেখ রয়েছে, জনাব রাজিব প্রাথমিক পর্যায়ে নিজস্ব পুঁজি, শ্রম ও দক্ষতা দিয়ে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন ও পরিচালনা করেন। এখানে তিনি এককভাবে মূলধন দিয়েছেন এবং ব্যবসা পরিচালনা করেছেন। তাই তাঁর প্রাথমিক পর্যায়ের ব্যবসায়টি ছিল একমালিকানা সংগঠন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত পরবর্তী পর্যায়ের সংগঠনটি হলো 'অংশীদারি সংগঠন'। “উদ্দীপকে বর্ণিত পরবর্তী পর্যায়ের সংগঠনটির গোপনীয়তা প্রথম পর্যায়ের সংগঠনের তুলনায় কম”—এ মন্তব্যটি যথার্থ।
১৯৩২ সালের অংশীদারি আইন অনুযায়ী, দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে চুক্তিবদ্ধ হয়ে যে ব্যবসায় গড়ে তোলে, তাকে অংশীদারি ব্যবসায় বলে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব রাজিব পরবর্তীতে কর্মপরিধি বাড়ার কারণে তাঁর অপর এক বন্ধুর সাথে সমান লাভ-লোকসান বণ্টনের শর্তে চুক্তিবদ্ধ হয়ে যৌথভাবে ব্যবসায় পরিচালনা শুরু করেন। এটি অংশীদারি ব্যবসায়ের স্পষ্ট প্রতিফলন।
প্রথম পর্যায়ের ব্যবসায়টি ছিল একমালিকানা ব্যবসায়। একমালিকানা ব্যবসায়ের একমাত্র মালিক হওয়ায় ব্যবসায়ের নীতি, লাভ-লোকসান ও অভ্যন্তরীণ তথ্যাবলি তিনি এককভাবে সংরক্ষণ করতেন, ফলে গোপনীয়তা পুরোপুরি বজায় রাখা সম্ভব হতো। কিন্তু পরবর্তী পর্যায়ের অংশীদারি ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সব সিদ্ধান্ত অংশীদারদের যৌথ আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়। একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা থাকায় ব্যবসায়ের অভ্যন্তরীণ কৌশল ও আর্থিক তথ্যের গোপনীয়তা ফাঁস হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
সুতরাং, একমালিকানা ব্যবসায়ের চেয়ে অংশীদারি ব্যবসায়ের গোপনীয়তা অপেক্ষাকৃত কম থাকে বলে প্রশ্নে উল্লিখিত উক্তিটি যুক্তিযুক্ত।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও