ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৭
ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র প্রশ্ন
মাহিন সাহেবের একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান আছে। তিনি আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায় করেন। পণ্য কেনার জন্য ১০ কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাঠান। বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টিগোচর হলে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। তদন্তে প্রতিষ্ঠানটি দোষী সাব্যস্ত হলে শাস্তির সুপারিশ করা হয়।
- ক)(1)
কলমানি রেট কী?
- খ)(2)
ঋণ নিয়ন্ত্রণ কেন করা হয়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি কোন আইন লঙ্ঘন করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
বর্তমান প্রচলিত আইনে প্রতিষ্ঠানটি কি শাস্তির আওতায় পড়বে? বিশ্লেষণ করো ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কলমানি রেট বা তলবি সুদের হার হলো মুদ্রা বাজারে এক ব্যাংক অন্য ব্যাংক থেকে অতি স্বল্প মেয়াদের জন্য (সাধারণত একদিনের জন্য) ধার নিলে যে হারে সুদ প্রদান করতে হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, মুদ্রাস্ফীতি ও মুদ্রা সংকোচন রোধ করা এবং অর্থের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। অতিরিক্ত ঋণ বাজারে অর্থ সরবরাহ বাড়িয়ে মুদ্রাস্ফীতি ঘটায়, আবার ঋণের স্বল্পতা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে মন্দা সৃষ্টি করতে পারে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি 'মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২' (এবং বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭) লঙ্ঘন করেছে।
বৈধ ব্যাংকিং বা অনুমোদিত মাধ্যম ব্যতীত হুন্ডি বা অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে বিদেশে অর্থ প্রেরণ বা হস্তান্তর করা আইনের দৃষ্টিতে দণ্ডনীয় অপরাধ, যা মানিলন্ডারিংয়ের আওতাভুক্ত। উদ্দীপকে মাহিন সাহেব আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ের পণ্য ক্রয়ের জন্য ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে ১০ কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে প্রেরণ করেন। এই ধরনের অননুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন ও অর্থ পাচার বাংলাদেশের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী স্পষ্ট লঙ্ঘন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, বর্তমান প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি এবং এর মালিক অবশ্যই শাস্তির আওতায় পড়বেন।
বাংলাদেশের 'মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২' (সংশোধিত ২০১৫) অনুযায়ী হুন্ডি বা যেকোনো অপ্রাতিষ্ঠানিক ও অবৈধ উপায়ে দেশের বাইরে অর্থ প্রেরণ বা পাচার করা একটি গুরুতর অপরাধ। এ আইনে অর্থ পাচারের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কমপক্ষে ৪ বছর থেকে সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
এছাড়া, অপরাধের সাথে জড়িত অর্থের দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থদণ্ড অথবা ১০ লক্ষ টাকা (যা অধিক) অর্থদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড আরোপসহ ব্যবসায়িক লাইসেন্স বাতিল এবং পাচারকৃত অর্থ রাষ্ট্রীয় অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার শাস্তির স্পষ্ট বিধান রয়েছে। যেহেতু দুদকের তদন্তে প্রতিষ্ঠানটি দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, তাই প্রচলিত মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের অধীনে তারা কঠোর শাস্তির আওতায় আসবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও