‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • রাজনৈতিক দল, নেতৃত্ব ও সুশাসন • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

একজন শ্রেণিশিক্ষক শ্রেণিকক্ষে একটি কৃত্রিম নির্বাচনের আয়োজন করেন। শিক্ষাথীরা এই নির্বাচনে রায়হানকে শ্রেণিনেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চাইলেন, কেন তারা রায়হানকে নির্বাচিত করেছেন? শিক্ষার্থীরা বলল, রায়হানের আকর্ষণীয় গুণাবলি ও দক্ষতা তাদের আকৃষ্ট করেছে।

  1. ক)

    রাজনৈতিক দলব্যবস্থা কত প্রকার?

    (1)
  2. খ)

    অধিকার বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    রায়হানের মধ্যে যে গুণাবলির বিকাশ ঘটেছে সেটা ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উক্ত গুণাবলি কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে বলে তুমি মনে কর?

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দলব্যবস্থা সাধারণত তিন প্রকার (একদলীয়, দ্বিদলীয় ও বহুদলীয়)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অধিকার হলো সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত এমন কিছু সুযোগ-সুবিধা, যা ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশ ও সুস্থ সামাজিক জীবনের জন্য অপরিহার্য। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী টি এইচ গ্রিনের মতে, অধিকার হলো এমন সব বাহ্যিক অবস্থা যা মানুষের নৈতিক বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয়। অধিকার মূলত সমাজ ও রাষ্ট্র দ্বারা সংরক্ষিত ও সমর্থিত হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের রায়হানের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলির বিকাশ ঘটেছে।
    নেতৃত্ব হলো এমন এক গুণ যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যদের প্রভাবিত ও পরিচালিত করে নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে উদ্বুদ্ধ করতে পারে। রায়হানের ব্যক্তিত্ব, দক্ষতা ও আকর্ষণীয় গুণাবলি সহপাঠীদের মুগ্ধ করেছে, যা নেতৃত্বের মূল বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন। সততা, ব্যক্তিত্ব, প্রজ্ঞা, দায়িত্বশীলতা ও যোগাযোগ দক্ষতার মতো নেতৃত্বের মৌলিক গুণাবলি রায়হানকে অন্যদের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। তাই সহপাঠীরা তাকে শ্রেণিনেতা হিসেবে নির্বাচন করেছে, যা কার্যকর নেতৃত্বের বিকাশেরই প্রকাশ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সুশাসন প্রতিষ্ঠায় যোগ্য ও কার্যকর নেতৃত্বের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য।
    উদ্দীপকে রায়হানের মধ্যে বিকশিত নেতৃত্বের গুণাবলি রাষ্ট্র পরিচালনায়ও সুশাসনের পথ সুগম করতে পারে। সুশাসন নিশ্চিত করার মূল ভিত্তিগুলো হলো জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন, অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং প্রশাসনিক দক্ষতা। একজন আদর্শ নেতা তাঁর সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তুলতে পারেন। তিনি জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করে জনআস্থা অর্জন করেন। যোগ্য নেতৃত্বের নির্দেশনায় রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও ক্ষমতার সুষম ব্যবহার নিশ্চিত হয়, যা একটি দেশে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন