‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

সম্প্রতি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত সেমিনারে দুর্নীতির কারণ ও প্রতিকার শীর্ষক আলোচনার আয়োজন করা হয়। সেখানে বলা হয়, দেশের সর্বস্তরের দুর্নীতি সমূলে উৎপাটন করতে হলে সরকারের একটি বিশেষ কমিশনের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের কোনো বিকল্প নেই।

  1. ক)

    অ্যাটর্নি জেনারেলের মেয়াদকাল কত বছর?

    (1)
  2. খ)

    যুক্তফ্রন্ট কেন গঠন করা হয়েছিল?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন কমিশনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের সর্বশেষ বাক্যটির সাথে তুমি কি একমত? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের সংবিধানে অ্যাটর্নি জেনারেলের জন্য কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদকাল নির্ধারিত নেই; তিনি রাষ্ট্রপতির সন্তোষ অনুযায়ী সময়কাল পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকেন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে মুসলিম লীগের ফ্যাসিবাদী শাসন, শোষণ ও স্বৈরাচারী মনোভাবের অবসান ঘটিয়ে বাঙালি জাতির ন্যায্য দাবি ও স্বায়ত্তশাসন আদায়ের লক্ষ্যে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠন করেছিল। আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-প্রজা পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল—এই চারটি দলের সমন্বয়ে গঠিত যুক্তফ্রন্টের মূল লক্ষ্য ছিল ২১ দফার ভিত্তিতে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'দুর্নীতি দমন কমিশন' (দুদক)-এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

    দুর্নীতি প্রতিরোধ, দমন এবং সমাজে সততা ও নিষ্ঠাবোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০০৪ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়। উদ্দীপকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনারে দেশের সর্বস্তরের দুর্নীতি সমূলে উৎপাটন করার জন্য সরকারের যে বিশেষ কমিশনের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের কথা বলা হয়েছে, তা সরাসরি দুদকের কাজ ও লক্ষ্যকে নির্দেশ করে। সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে যেকোনো প্রকার অবৈধ লেনদেন, ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঘুস-দুর্নীতি তদন্ত করে আইনের আওতায় আনার মূল দায়িত্ব এই কমিশনের ওপর ন্যস্ত। সুতরাং, উদ্দীপকে দুর্নীতি দমন কমিশনকেই নির্দেশ করা হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, উদ্দীপকের সর্বশেষ বাক্য—"দেশের সর্বস্তরের দুর্নীতি সমূলে উৎপাটন করতে হলে সরকারের একটি বিশেষ কমিশনের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের কোনো বিকল্প নেই"—এর সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত।

    দুর্নীতি একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়ের পথে প্রধান অন্তরায়। বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দুর্নীতি চিহ্নিতকরণ, তদন্ত পরিচালনা ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতাপ্রাপ্ত স্বাধীন সংস্থা। কমিশন যদি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও আপসহীনভাবে আইন প্রয়োগ করে, তবে অপরাধীদের মধ্যে জবাবদিহিতা ও শাস্তির ভয় তৈরি হয়, যা দুর্নীতি কমাতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে।

    তবে কেবল আইনের কঠোর প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা, রাজনৈতিক সদিচ্ছা, নাগরিক সচেতনতা ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে। তবুও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের কেন্দ্রীয় কাঠামো হিসেবে দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যকর, দক্ষ ও প্রভাবমুক্ত ভূমিকা ছাড়া এটি সমূলে উৎপাটন করা অসম্ভব। অতএব, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দুদকের সঠিক ও কার্যকর দায়িত্ব পালনের কোনো বিকল্প নেই।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন