যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২১

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

দৃশ্যকল্প-১: বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। অতএব বজ্রপাত হবে।দৃশ্যকল্প-২: আকাশে চাঁদ উঠল, নদীতে জোয়ার এল। চাঁদ নেই, নদীতে ভাটা দেখা দিল।

  1. ক)

    ব্যাখ্যা কী?

    (1)
  2. খ)

    পরম নিয়মকে ব্যাখ্যা করা যায় না কেন?

    (2)
  3. গ)

    দৃশ্যকল্প-১ এ বর্ণিত ব্যাখ্যাটির রূপ ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    দৃশ্যকল্প-২ এ ইঙ্গিতকৃত বিষয়টি কীভাবে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সাথে সম্পর্কিত? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো দুর্বোধ্য, অস্পষ্ট ও জটিল বিষয়কে সহজ, প্রাঞ্জল ও সুস্পষ্ট করে প্রকাশ করাই হলো ব্যাখ্যা।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পরম বা মৌলিক নিয়ম হলো এমন কোনো প্রাকৃতিক নিয়ম যা অন্য কোনো উচ্চতর নিয়মের অধীন নয়। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার নিয়ম অনুসারে কোনো কম ব্যাপক নিয়মকে অধিক ব্যাপক নিয়মের অধীনে এনে বা সংযুক্ত করে ব্যাখ্যা করা হয়। কিন্তু পরম নিয়ম প্রকৃতিতে সর্বোচ্চ নিয়মরূপে বিদ্যমান এবং এর চেয়ে ব্যাপকতর কোনো নিয়ম নেই যার অধীনে একে আনা সম্ভব। তাই পরম নিয়মকে ব্যাখ্যা করা যায় না।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-১ এ বর্ণিত ব্যাখ্যাটির রূপ হলো কার্য-কারণ সম্পর্ক সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা (বা পূর্ববর্তী ঘটনার ভিত্তিতে পরবর্তী ঘটনা নির্দেশক রূপ)।

    উদ্দীপকে বলা হয়েছে, 'বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। অতএব বজ্রপাত হবে।' এখানে বিদ্যুৎ চমকানোকে বজ্রপাতের কারণ বা পূর্বাভাস হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছে। সাধারণত প্রাকৃতিক নিয়মানুসারে মেঘে বিদ্যুৎ ক্ষরণের ফলেই আলো (বিদ্যুৎ চমকানো) এবং শব্দ (বজ্রপাত বা মেঘের গর্জন) একই সাথে ঘটে। কিন্তু আলোর গতি শব্দের গতির চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় আগে আলো দেখা যায় এবং পরে শব্দ শোনা যায়। সুতরাং, এটি প্রাকৃতিক কার্য-কারণ নিয়মের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত একটি বিজ্ঞানভিত্তিক ঘটনা। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় কোনো ঘটনার পেছনে কারণ বা প্রাকৃতিক নিয়ম আবিষ্কার করে তার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, যা দৃশ্যকল্প-১ এ প্রতিফলিত হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-২ এ বর্ণিত বিষয়টি হলো—চাঁদ উঠলে জোয়ার আসা এবং চাঁদ না থাকলে ভাটা হওয়া। এটি মূলত মিল-এর পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির অন্বয়ী পদ্ধতি বা সহপরিবর্তন পদ্ধতির সাথে এবং বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

    বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় অতিপ্রাকৃতিক কোনো শক্তির সাহায্য না নিয়ে কার্য-কারণ সম্পর্ক ও প্রাকৃতিক নিয়মের ভিত্তিতে ঘটনাকে ব্যাখ্যা করা হয়। নদীর জোয়ার-ভাটার পেছনে চাঁদের আকর্ষণ তথা মধ্যাকর্ষণ শক্তির সুস্পষ্ট বৈজ্ঞানিক কার্য-কারণ নিয়ম রয়েছে। দৃশ্যকল্পে জোয়ার-ভাটাকে কোনো কাল্পনিক বা অলৌকিক বিশ্বাসের দ্বারা ব্যাখ্যা না করে প্রাকৃতিক পরিবর্তনের (চাঁদের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতি) সাথে সম্পর্কযুক্ত করা হয়েছে। চাঁদের মহাকর্ষীয় টানের ফলেই পৃথিবীর জলভাগ ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় একটি বিশেষ ঘটনাকে একটি সার্বিক নিয়ম (মহাকর্ষ সূত্র)-এর অধীন এনে ব্যাখ্যা করা হয়। অতএব, চাঁদের অবস্থান ও জোয়ার-ভাটার সম্পর্কটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার মূলনীতি ও কার্য-কারণ অনুসন্ধান পদ্ধতির সাথে প্রত্যক্ষভাবে সম্পর্কিত।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন