অর্থনীতি ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৭
অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন
চিত্রটি লক্ষ কর:-

- ক)(1)
সূচক সংখ্যা কী?
- খ)(2)
রপ্তানি বৃদ্ধি কীভাবে মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি করে? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
চিত্র অনুযায়ী মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ নির্ণয় করো।
- ঘ)(4)
চিত্রে উল্লিখিত মুদ্রাস্ফীতির কারণ বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে পারিভাষিক বা গাণিতিক সংখ্যার সাহায্যে কোনো নির্দিষ্ট ভিত্তি বছরের সাপেক্ষে বর্তমান বা চলতি বছরের অর্থনৈতিক চলকের (যেমন: দামস্তর, উৎপাদন ইত্যাদি) আপেক্ষিক পরিবর্তন পরিমাপ করা হয়, তাকে সূচক সংখ্যা বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো দেশের রপ্তানি বৃদ্ধি পেলে বৈদেশিক বাণিজ্যের মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার আগমন ঘটে এবং সামগ্রিক চাহিদা বৃদ্ধি পায়।
রপ্তানি বৃদ্ধি পেলে একদিকে অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্যসামগ্রীর জোগান হ্রাস পায়, অন্যদিকে রপ্তানিকারক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের আয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দেশীয় বাজারে পণ্যের সামগ্রিক চাহিদা (Aggregate Demand) বৃদ্ধি পায়। ফলে সামগ্রিক জোগান অপরিবর্তিত বা সীমিত থাকলে অতিরিক্ত চাহিদার চাপে সাধারণ দামস্তর ক্রমাগত বৃদ্ধি পায়, যা মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্রে লম্ব অক্ষে দামস্তর (P) এবং ভূমি অক্ষে সামগ্রিক উৎপাদন/চাহিদা ও জোগানের পরিমাণ (Y) নির্দেশ করা হয়েছে।
চিত্রে প্রাথমিক সামগ্রিক চাহিদা রেখা এবং উল্লম্ব সামগ্রিক জোগান রেখা পরস্পরকে 'a' বিন্দুতে ছেদ করে। ফলে প্রাথমিক ভারসাম্য দামস্তর নির্ধারিত হয় টাকা।
পরবর্তীতে সামগ্রিক চাহিদা বৃদ্ধি পেয়ে চাহিদা রেখা ডানে স্থানান্তরিত হয়ে হলে নতুন ভারসাম্য বিন্দু হয় 'b'। এখানে নতুন দামস্তর নির্ধারিত হয় টাকা।
সুতরাং, দামস্তরের পরিবর্তন বা মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ,
একক।শতকরা হারে মুদ্রাস্ফীতির হার:
মুদ্রাস্ফীতির হার =
=
=অতএব, চিত্রে মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ ১০ একক বা মুদ্রাস্ফীতির হার ১২.৫%।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্রে প্রতিফলিত মুদ্রাস্ফীতিটি হলো 'চাহিদা বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি' (Demand-pull Inflation)।
চিত্রে দেখা যায়, অর্থনীতিতে পূর্ণ নিয়োগ অর্জিত হওয়ায় সামগ্রিক জোগান রেখা () লম্ব অক্ষের সমান্তরাল (সম্পূর্ণ অস্থিতিস্থাপক) হয়ে ৫০ এককে স্থির রয়েছে। কিন্তু সামগ্রিক চাহিদা রেখা থেকে ডানদিকে স্থানান্তরিত হয়ে হয়েছে, যার কারণে দামস্তর ৮০ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৯০ হয়েছে।
এই মুদ্রাস্ফীতির মূল কারণগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. অর্থের জোগান বৃদ্ধি: কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত অর্থ ছাপানো বা ঋণ সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাজারে অর্থের জোগান বৃদ্ধি করলে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে, ফলে সামগ্রিক চাহিদা বৃদ্ধি পায়।
২. সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি: অনুৎপাদনশীল খাতে সরকারের উন্নয়নমূলক ও প্রশাসনিক ব্যয় বৃদ্ধির ফলে সমাজে সামগ্রিক চাহিদা বাড়ে।
৩. ভোগ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি: বেসরকারি খাতে ভোগপ্রবণতা বা বিনিয়োগ বাড়লে সামগ্রিক চাহিদার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়।
৪. রপ্তানি বৃদ্ধি ও রেমিট্যান্সের প্রবাহ: বিদেশে পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি এবং প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ বাড়লে মানুষের আয় ও ব্যয় বৃদ্ধি পায়, যা চাহিদাকে উসকে দেয়।
৫. জোগানের অনমনীয়তা: পূর্ণ নিয়োগ পরিস্থিতিতে জোগান রেখা উল্লম্ব থাকায় জোগান আর বাড়ানো সম্ভব হয় না।সুতরাং, পূর্ণ নিয়োগ অবস্থায় সামগ্রিক জোগান স্থির থাকা সত্ত্বেও সামগ্রিক চাহিদা বৃদ্ধির কারণেই চিত্রে উল্লিখিত মুদ্রাস্ফীতি বা দামস্তর বৃদ্ধি ঘটেছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও