বাংলা ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৩
বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন
8.1.
তোমার কলেজে 'বসন্তবরণ' পালিত হয়েছে। ওই দিনের বর্ণনা দিয়ে একটি দিনলিপি লেখো।
8.2.
তোমার এলাকার গণগ্রন্থাগারের অবস্থা সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
AI-লিখিত কাল্পনিক নমুনা। প্রশ্নে না-দেওয়া নাম, তারিখ, যোগাযোগ, সংখ্যা ও জরিপ/সাক্ষাৎকারের বিবরণ উদাহরণভিত্তিক অনুমান; বাস্তবে তথ্যসংগ্রহ করা হয়েছে এমন দাবি নয়।
৮.১. দিনলিপি লিখন:
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
রাত ১০:৩০ মিনিট
ঢাকা
আজকের দিনটি ছিল আমাদের কলেজ জীবনের অন্যতম একটি স্মরণীয় ও রঙিন দিন। আজ ১লা ফাল্গুন, ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। এ উপলক্ষে আমাদের কলেজে দিনব্যাপী 'বসন্তবরণ উৎসব'-এর আয়োজন করা হয়েছিল। পুরো ক্যাম্পাসকে হলুদ, বাসন্তী ও লাল রঙে সাজানো হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা সবাই বাসন্তী রঙের শাড়ি ও পাঞ্জাবি পরে উৎসবে অংশ নেয়।
সকাল ৯টায় অধ্যক্ষ মহোদয়ের সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা ঘটে। এরপর শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। কলেজের উন্মুক্ত মঞ্চে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্র-নজরুলের বসন্তের গান, আবৃত্তি ও নৃত্য। আমিও বন্ধুদের সাথে উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশনায় অংশ নিয়েছিলাম। কলেজের মাঠে বসেছিল পিঠা ও দেশীয় হস্তশিল্পের মেলা। বন্ধুদের সাথে আড্ডা, ছবি তোলা এবং গান গাওয়ার মধ্য দিয়ে সময় কখন কেটে গেল বুঝতেই পারিনি। বিকেল ৫টায় সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এই চমৎকার দিনটির স্মৃতি বহুদিন আমার হৃদয়ে অম্লান থাকবে।
অথবা,
৮.২. প্রতিবেদন রচনা:
ধানমন্ডি এলাকার গণগ্রন্থাগারের বেহাল দশা: আশু সংস্কার প্রয়োজন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
ধানমন্ডি এলাকার একমাত্র সরকারি গণগ্রন্থাগারটি দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যা ও অব্যবস্থাপনার কারণে তার অতীত ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। একসময় এটি এলাকার শিক্ষার্থী ও বইপ্রেমী মানুষের জ্ঞানচর্চার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত থাকলেও বর্তমানে এর পরিবেশ অত্যন্ত নাজুক।
সম্প্রতি গ্রন্থাগারটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, এখানকার অধিকাংশ বই জীর্ণশীর্ণ ও পুরনো। আধুনিক বিজ্ঞান, সাহিত্য ও সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞানের নতুন কোনো বই সেখানে নেই। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই, অনেক ফ্যান নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। রিডিং রুমের আসন সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত সীমিত। গ্রন্থাগারে বিশুদ্ধ খাবার পানির কোনো ব্যবস্থা নেই এবং শৌচাগারগুলোর অবস্থাও অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। লাইব্রেরিয়ান এবং প্রয়োজনীয় কর্মচারীর অভাবের কারণে পাঠকদের কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে দিন দিন পাঠকের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে।
জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য গণগ্রন্থাগারের ভূমিকা অনস্বীকার্য। অবিলম্বে এই গ্রন্থাগারটির প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন, নতুন ও তথ্যসমৃদ্ধ বই সংযোজন, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল ক্যাটালগিং ব্যবস্থার প্রবর্তন করে একে পুনরায় পাঠোপযোগী করে তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
প্রতিবেদকের নাম: মো. তানভীর আহমেদ
প্রতিবেদনের ধরন: প্রাতিষ্ঠানিক/সংবাদ প্রতিবেদন
তারিখ: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
স্থান: ধানমন্ডি, ঢাকা
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও