যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯
যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন
A হলো M এর কারণ
দৃষ্টান্ত | পূর্ববর্তী ঘটনা (কারণ) | পরবর্তী ঘটনা (কার্য)
১ম | ABC | MNO
২য় | ADE | MKH
৩য় | AIR | MST
- ক)(1)
কার্যকারণ নীতি কী?
- খ)(2)
অবৈধ সার্বিকীকরণ অনুপপত্তি ঘটে কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে কোন প্রকার পরীক্ষণ পদ্ধতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে নির্দেশিত পদ্ধতিটি কি নিরীক্ষণের পদ্ধতি? উত্তরের পক্ষে তোমার মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কার্যকারণ নীতি হলো এমন একটি মৌলিক স্বীকার্য নিয়ম, যার বক্তব্য হলো— প্রতিটি ঘটনারই একটি কারণ আছে; কারণ ছাড়া কোনো কার্য সংঘটিত হতে পারে না।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
আরোহ অনুমানে অনুকূল দৃষ্টান্তের প্রাচুর্য দেখে এবং কোনো প্রতিকূল বা বিরোধী দৃষ্টান্তের সন্ধান না করে অতি দ্রুত সাধারণ সিদ্ধান্ত গঠন করলে অবৈধ সার্বিকীকরণ অনুপপত্তি ঘটে। অর্থাৎ, পর্যাপ্ত তথ্য বা কার্যকারণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা ব্যতিরেকে কেবল কয়েকটি বাস্তব দৃষ্টান্তের সাদৃশ্য দেখে সার্বিক সিদ্ধান্ত অনুমান করার ফলেই এ জাতীয় ত্রুটি বা হেত্বাভাস সৃষ্টি হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে যুক্তিবিদ জন স্টুয়ার্ট মিল-এর 'অন্বয়ী পদ্ধতি' (Method of Agreement)-এর ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
অন্বয়ী পদ্ধতির সূত্রানুসারে, আলোচ্য ঘটনার দুই বা ততোধিক দৃষ্টান্তে যদি কেবল একটি বিষয়ে মিল থাকে, তবে যে বিষয়ে দৃষ্টান্তগুলোর মিল রয়েছে, সেটিই আলোচ্য ঘটনার কারণ বা কার্য হবে।
উদ্দীপকের ছকে দেখা যাচ্ছে:
১ম দৃষ্টান্তে: ABC এর ফলে MNO ঘটে।
২য় দৃষ্টান্তে: ADE এর ফলে MKH ঘটে।
৩য় দৃষ্টান্তে: AIR এর ফলে MST ঘটে।
এখানে পূর্ববর্তী ঘটনাগুলোতে কেবল 'A' সাধারণ বা মিলযুক্ত উপাদান এবং পরবর্তী ঘটনাগুলোতে কেবল 'M' সাধারণ উপাদান। অন্যান্য ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনো মিল নেই। সুতরাং, মিলের অন্বয়ী পদ্ধতি প্রয়োগ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, A হলো M-এর কারণ। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে নির্দেশিত পদ্ধতিটি হলো অন্বয়ী পদ্ধতি। যুক্তিবিদ মিলের মতে, অন্বয়ী পদ্ধতি মূলত 'নিরীক্ষণের পদ্ধতি'। আমি এই বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত।
এর সপক্ষে যুক্তি নিচে আলোচনা করা হলো:
১. অন্বয়ী পদ্ধতিতে বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিস্থিতিতে ঘটে যাওয়া বাস্তব ঘটনাগুলোর মধ্যে মিল বা সাদৃশ্য খুঁজে বের করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। প্রকৃতিতে যেসব ঘটনা নিজে থেকেই ঘটে, আমরা মূলত কেবল সেগুলোর ওপরই অন্বয়ী পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারি।
২. পরীক্ষণের ক্ষেত্রে শর্তাবলিকে সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে পরিবর্তন করা যায়, যা সাধারণত অন্বয়ী পদ্ধতিতে সম্ভব হয় না। বিভিন্ন অনুকূল পরিস্থিতিকে লক্ষ্য করে বা নিরীক্ষণ করে সাধারণ উপাদান পৃথক করা হয়।
৩. মিল নিজে বলেছেন, অন্বয়ী পদ্ধতি মূলত নিরীক্ষণের পদ্ধতি এবং ব্যতিরেকী পদ্ধতি হলো পরীক্ষণের পদ্ধতি। অন্বয়ী পদ্ধতিতে আমরা বহু দৃষ্টান্ত নিরীক্ষণ করি যাতে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন পারিপার্শ্বিক অবস্থার মধ্যে একমাত্র সাদৃশ্যপূর্ণ শর্তটিকে চিহ্নিত করা যায়।অতএব, অন্বয়ী পদ্ধতির কার্যপ্রণালী ও বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করলে দেখা যায় এটি মূলত একটি নিরীক্ষণভিত্তিক পদ্ধতি।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও