যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।

  1. ক)

    লৌকিক ব্যাখ্যা কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    'ব্যক্তিভেদে লৌকিক ব্যাখ্যা ভিন্ন হয়' কেন?

    (2)
  3. গ)

    দৃশ্যকল্প-১ ব্যাখ্যার কোন দিককে নির্দেশ করে?

    (3)
  4. ঘ)

    দৃশ্যকল্প-২ ও দৃশ্যকল্প-৩-এর মধ্যস্থিত সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকে কেবল দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ দেওয়া থাকলেও 'ঘ' প্রশ্নে দৃশ্যকল্প-৩-এর উল্লেখ রয়েছে। এটিকে 'দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২'-এর পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণের মুদ্রণপ্রমাদ হিসেবে ধরে উত্তর প্রস্তুত করা হয়েছে।

    কোনো ঘটনার প্রকৃত কার্যকারণ নির্ণয় না করে অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার বা অলৌকিক শক্তির সাহায্যে যে ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়, তাকে লৌকিক ব্যাখ্যা বলে।

  2. খ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকে কেবল দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ দেওয়া থাকলেও 'ঘ' প্রশ্নে দৃশ্যকল্প-৩-এর উল্লেখ রয়েছে। এটিকে 'দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২'-এর পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণের মুদ্রণপ্রমাদ হিসেবে ধরে উত্তর প্রস্তুত করা হয়েছে।

    লৌকিক ব্যাখ্যা কোনো সার্বজনীন বা বৈজ্ঞানিক কার্যকারণ নিয়মের ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়; বরং তা মানুষের ব্যক্তিগত মনস্তাত্ত্বিক আবেগ, কুসংস্কার ও কাল্পনিক বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে। একেক ব্যক্তির অভিজ্ঞতা, সংস্কার ও চিন্তাভাবনা একেক রকম হওয়ায় একই ঘটনার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন অলৌকিক কারণ কল্পনা করে। তাই ব্যক্তিভেদে লৌকিক ব্যাখ্যা ভিন্ন হয়।

  3. গ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকে কেবল দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ দেওয়া থাকলেও 'ঘ' প্রশ্নে দৃশ্যকল্প-৩-এর উল্লেখ রয়েছে। এটিকে 'দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২'-এর পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণের মুদ্রণপ্রমাদ হিসেবে ধরে উত্তর প্রস্তুত করা হয়েছে।

    দৃশ্যকল্প-১ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার 'অন্তর্ভুক্তিকরণ' (Inclusion) দিক বা রূপটিকে নির্দেশ করে।

    যুক্তিবিদ কার্ভেথ রিডের মতে, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার অন্যতম একটি রূপ হলো অন্তর্ভুক্তিকরণ। যখন একটি কম ব্যাপক নিয়ম বা বিশেষ কোনো বিষয়কে অপেক্ষাকৃত অধিক ব্যাপক বা সাধারণ নিয়ম বা শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করে ব্যাখ্যা করা হয়, তখন তাকে অন্তর্ভুক্তিকরণ বলে।

    দৃশ্যকল্প-১-এ দেখা যাচ্ছে, 'গীতাঞ্জলি' নামক একটি বিশেষ কাব্যগ্রন্থকে একটি বৃহত্তর বৃত্ত অর্থাৎ 'গ্রন্থাগার'-এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে। অর্থাৎ একটি বিশেষ বা কম ব্যাপক বিষয়কে বৃহত্তর বা ব্যাপকতর ধারণার অন্তর্গত করে ব্যাখ্যা করার প্রতীকী রূপ এখানে চিত্রিত হয়েছে। সুতরাং দৃশ্যকল্প-১ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার অন্তর্ভুক্তিকরণ রূপকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: উদ্দীপকে কেবল দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ দেওয়া থাকলেও 'ঘ' প্রশ্নে দৃশ্যকল্প-৩-এর উল্লেখ রয়েছে। এটিকে 'দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২'-এর পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণের মুদ্রণপ্রমাদ হিসেবে ধরে উত্তর প্রস্তুত করা হয়েছে।

    উদ্দীপকের চিত্রে কেবল দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ বিদ্যমান; সেখানে কোনো দৃশ্যকল্প-৩ নেই। এটি প্রশ্নপত্রের একটি মুদ্রণপ্রমাদ হিসেবে গণ্য করে দৃশ্যকল্প-১ (অন্তর্ভুক্তিকরণ) ও দৃশ্যকল্প-২ (শৃঙ্খলযোজন)-এর মধ্যকার সম্পর্ক নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

    দৃশ্যকল্প-২ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার দ্বিতীয় রূপ 'শৃঙ্খলযোজন' (Interposition/Concatenation)-কে নির্দেশ করে। যখন কোনো দূরবর্তী কারণ ও চূড়ান্ত কার্যের মধ্যবর্তী পর্যায়ক্রমিক বা মাধ্যমিক ঘটনাসমূহ বা কার্যকারণ যোগসূত্র আবিষ্কার করে ব্যাখ্যা করা হয়, তখন তাকে শৃঙ্খলযোজন বলে। দৃশ্যকল্প-২-এ 'কঠোর পরিশ্রম' (দূরবর্তী কারণ) এবং 'সমৃদ্ধি' (কার্য)-এর মধ্যবর্তী স্তর হিসেবে 'পরীক্ষায় ভালো ফলাফল' ও 'ভালো চাকরি লাভ'-এর শৃঙ্খল আবিষ্কার করা হয়েছে।

    দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২-এর মধ্যস্থিত সম্পর্ক:
    ১. অভিন্ন উদ্দেশ্য: দৃশ্যকল্প-১ (অন্তর্ভুক্তিকরণ) এবং দৃশ্যকল্প-২ (শৃঙ্খলযোজন) উভয়ই বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সুনির্দিষ্ট দুটি পদ্ধতি বা রূপ। উভয়ের মূল লক্ষ্য ঘটনার পেছনের অস্পষ্টতা দূর করে কার্যকারণ নিয়মের আলোকে বৈজ্ঞানিক সত্য প্রতিষ্ঠা করা।
    ২. প্রক্রিয়াগত পার্থক্য: অন্তর্ভুক্তিকরণে একটি ক্ষুদ্রতর বিষয় বা নিয়মকে বৃহত্তর নিয়মের অন্তর্ভুক্ত করা হয় (যেমন— দৃশ্যকল্প-১-এ গীতাঞ্জলিকে গ্রন্থাগারে স্থাপন)। অন্যদিকে, শৃঙ্খলযোজনে দূরবর্তী কারণ ও কার্যের মধ্যবর্তী অদৃশ্য বা অনুল্লেখিত কার্যকারণ শৃঙ্খলটি ক্রমান্বয়ে উদঘাটন করা হয়।
    ৩. পরিপূরক ভূমিকা: বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে ঘটনা ও নিয়মের বিন্যাস এবং অন্তর্ভুক্তি যেমন দরকার, তেমনি একাধিক ঘটনার পর্যায়ক্রমিক যোগসূত্র প্রতিষ্ঠা করাও সমানভাবে জরুরি।

    সুতরাং দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার দুটি ভিন্নমুখী কিন্তু পরিপূরক রূপ হিসেবে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন