পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০১৭
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
রক্তাক্ত সংগ্রামের পর ‘ক’ রাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতা লাভের এক বছরের মধ্যেই তারা পৃথিবীর একটি অন্যতম সেরা সংবিধান প্রণয়ন করতে সক্ষম হয়। যা গোটা বিশ্বে প্রশংসিত হয়।
- ক)(1)
বাংলাদেশ সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি কয়টি?
- খ)(2)
মৌলিক অধিকার বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে বর্ণিত সংবিধানের সাথে তোমার পঠিত কোনো দেশের সংবিধানের সাদৃশ্য আছে কি? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বর্ণিত সংবিধান অনুযায়ী “জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস”— বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশ সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ৪টি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মৌলিক অধিকার বলতে রাষ্ট্রের সংবিধানে স্বীকৃত ও সংরক্ষিত সেইসব অপরিহার্য অধিকারকে বোঝায়, যা নাগরিকের ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশ ও মানবিক মর্যাদা রক্ষার জন্য আবশ্যক। সংবিধানের তৃতীয় ভাগে এই অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত থাকে এবং এগুলো আদালত কর্তৃক বলবৎযোগ্য; রাষ্ট্র চাইলেই নাগরিকদের এসব অধিকার খর্ব করতে পারে না।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত সংবিধানের সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের সংবিধানের গভীর সাদৃশ্য রয়েছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের এক বছরের মধ্যেই 'ক' রাষ্ট্র একটি চমৎকার ও প্রশংসিত সংবিধান প্রণয়ন করতে সক্ষম হয়। ঠিক তেমনি বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র দশ মাসের মধ্যে অর্থাৎ ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর একটি পূর্ণাঙ্গ ও অনন্য সংবিধান প্রণয়ন ও গ্রহণ করে, যা ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে কার্যকর হয়। এই দ্রুততম সময়ে এত সমৃদ্ধ একটি লিখিত সংবিধান উপহার দেওয়া বিশ্বদরবারে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছিল। সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লিখিত সংবিধানটি মূলত বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতিচ্ছবি।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত সংবিধান অর্থাৎ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী 'জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস'—উক্তিটি অত্যন্ত যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ।
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭(১) অনুচ্ছেদে সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে। অর্থাৎ জনগণের সার্বভৌমত্বই এ সংবিধানের মূলভিত্তি।
একটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় জনগণ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে। এই প্রতিনিধিরাই জনগণের পক্ষে সরকার পরিচালনা এবং আইন প্রণয়ন করেন। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা যদি জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হন, তবে পরবর্তী নির্বাচনে জনগণ ভোটের মাধ্যমে তাদের পরিবর্তন করতে পারে। সংবিধানে আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার ও সার্বজনীন ভোটাধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনগণের প্রাধান্যকে সর্বোচ্চ স্তরে স্থাপন করা হয়েছে। সুতরাং, উদ্দীপকে প্রতিফলিত সংবিধানের আলোকে নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে, জনগণই সকল ক্ষমতার প্রকৃত উৎস।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও