‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

রফিক স্যার তার পৌরনীতি ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, "সামাজিক মূল্যবোধ, রাজনৈতিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ মানুষকে ও সমাজকে উন্নত করে।"

  1. ক)

    স্বাধীনতা কী?

    (1)
  2. খ)

    নৈতিকতা বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে আলোচিত মূল্যবোধসমূহ উদাহরণসহ আলোচনা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত মূল্যবোধসমূহ কীভাবে একজন সুনাগরিক গড়ে তোলে? তোমার আলোচনার পক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সাধারণ অর্থে স্বাধীনতা বলতে নিজের ইচ্ছানুযায়ী যেকোনো কাজ করার ক্ষমতাকে বোঝায়; তবে পৌরনীতিতে স্বাধীনতা হলো অন্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ না করে নিজের ব্যক্তিত্ব বিকাশের উপযোগী পরিবেশ ও অধিকার ভোগ করা।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    নৈতিকতা বলতে মানুষের ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় ও উচিত-অনুচিতের মানসিক অনুভূতি ও মানদণ্ডকে বোঝায়।

    নৈতিকতা মানুষের অভ্যন্তরীণ বিবেক থেকে উৎসারিত হয়। এটি কোনো রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা বাধ্য নয়, বরং সামাজিক ও আত্মিক মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত হয়ে মানুষকে অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখে এবং ভালো কাজে উৎসাহিত করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের কথা বলা হয়েছে। নিচে এগুলোর উদাহরণসহ আলোচনা করা হলো:

    ১. সামাজিক মূল্যবোধ: সমাজে বসবাসকারী মানুষের পারস্পরিক আচরণ ও সম্পর্কের মানদণ্ড হলো সামাজিক মূল্যবোধ। যেমন— বড়দের সম্মান করা, ছোটদের স্নেহ করা এবং পারস্পরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করা।
    ২. রাজনৈতিক মূল্যবোধ: রাষ্ট্র ও রাজনীতির সাথে সম্পর্কিত আদর্শ ও বিশ্বাস। যেমন— নির্বাচনে সৎ প্রার্থীকে ভোট দেওয়া এবং সহনশীলতা প্রদর্শন করা।
    ৩. ধর্মীয় মূল্যবোধ: নিজ নিজ ধর্মীয় অনুশাসন ও বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা আচরণবিধি। যেমন— সততা বজায় রাখা, পরোপকার করা এবং অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো।
    ৪. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ: অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা ও পরমতসহিষ্ণুতার চর্চা। যেমন— সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া ও সংখ্যালঘুর অধিকার রক্ষা করা।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লেখিত মূল্যবোধসমূহ একজন নাগরিককে বিবেকবান, দায়িত্বশীল ও প্রকৃত সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

    একজন সুনাগরিক হতে হলে বুদ্ধি, আত্মসংযম ও বিবেক—এই তিনটি মৌলিক গুণের অধিকারী হতে হয়। মূল্যবোধগুলো ব্যক্তির মধ্যে এই গুণাবলি বিকশিত করে:

    ১. সামাজিক মূল্যবোধ একজন নাগরিককে সমাজসচেতন, সহানুভূতিশীল ও দায়িত্ববান হতে শেখায়।
    ২. রাজনৈতিক মূল্যবোধের কারণে নাগরিক রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য (যেমন—ভোটদান, কর প্রদান) যথাযথভাবে পালন করে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়।
    ৩. ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষের ভেতরের নৈতিক চেতনা জাগ্রত করে এবং অন্যায়, দুর্নীতি ও শোষণ থেকে দূরে রেখে আত্মসংযমী করে।
    ৪. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ফলে নাগরিক পরমতসহিষ্ণু হয় এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে।

    সুতরাং, এই সামগ্রিক মূল্যবোধগুলো ব্যক্তির আচরণকে পরিশীলিত করে এবং তাকে রাষ্ট্রের একজন আদর্শ ও সচেতন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন