পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • সরকার কাঠামো ও সরকারের অঙ্গসমূহ • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
- ক)(1)
গণতন্ত্রে সকল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার উৎস কারা?
- খ)(2)
সমাজতন্ত্র বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের ছকে উল্লেখিত 'A' দেশটিতে কোন ধরনের সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান? আলোচনা করো।
- ঘ)(4)
ছকে উল্লেখিত 'A' ও 'B' দেশের সরকার ব্যবস্থার মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য আলোচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
গণতন্ত্রে সকল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার উৎস জনগণ।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সমাজতন্ত্র এমন এক আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা, যেখানে উৎপাদনের উপাদানসমূহ ব্যক্তি মালিকানার পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক মালিকানাধীন এবং নিয়ন্ত্রিত থাকে। এ ব্যবস্থায় সম্পদের সুষম বণ্টন, শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং ব্যক্তিগত মুনাফার বদলে সামাজিক কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের ছকে উল্লেখিত 'A' দেশটিতে (যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশ) এককেন্দ্রিক (Unitary) সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
যে শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রের যাবতীয় শাসনতান্ত্রিক ক্ষমতা সংবিধানের মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং কেন্দ্র থেকেই সমগ্র দেশ পরিচালিত হয়, তাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে। এ ব্যবস্থায় শাসনকাজের সুবিধার জন্য দেশকে কয়েকটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হলেও সেগুলোর নিজস্ব কোনো স্বাধীন সাংবিধানিক ক্ষমতা থাকে না; তারা কেন্দ্রের প্রতিনিধি বা অধীনস্থ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় আইনসভা ও সরকারই সকল প্রশাসনিক ক্ষমতার মূল উৎস হওয়ায় এগুলো এককেন্দ্রিক সরকারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লেখিত 'A' চিহ্নিত দেশসমূহে (যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশ) 'এককেন্দ্রিক সরকার' এবং 'B' চিহ্নিত দেশসমূহে (যুক্তরাষ্ট্র, সুইজারল্যান্ড) 'যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার' ব্যবস্থা নির্দেশ করে। এ দুই ব্যবস্থার মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য নিচে আলোচনা করা হলো:
১. ক্ষমতা বণ্টন: এককেন্দ্রিক সরকারে সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতা একটিমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর ন্যস্ত থাকে। পক্ষান্তরে, যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারে সংবিধানের মাধ্যমে কেন্দ্র ও প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে ক্ষমতা বণ্টন করে দেওয়া হয়।
২. স্বায়ত্তশাসন ও প্রাদেশিক মর্যাদা: এককেন্দ্রিক ব্যবস্থায় স্থানীয় বা আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের নিজস্ব বা সাংবিধানিক স্বায়ত্তশাসন থাকে না; তারা কেন্দ্রের অধীনে পরিচালিত হয়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে অঙ্গরাজ্য বা প্রদেশগুলো নিজস্ব সাংবিধানিক ক্ষমতা ও স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে।
৩. সংবিধানের প্রকৃতি: যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থায় সংবিধান সাধারণত লিখিত এবং অনমনীয় (বা দুষ্পরিবর্তনীয়) হয়ে থাকে, যাতে কেন্দ্র বা প্রদেশ ইচ্ছামতো তা পরিবর্তন করতে না পারে। অন্যদিকে এককেন্দ্রিক সরকারের সংবিধান লিখিত বা অলিখিত এবং সুপরিবর্তনীয় বা অনমনীয় যেকোনো ধরনের হতে পারে (যেমন- যুক্তরাজ্যের সংবিধান অলিখিত ও সুপরিবর্তনীয়)।
৪. বিচার বিভাগের ভূমিকা: যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় কেন্দ্র ও অঙ্গরাজ্যের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী সর্বোচ্চ আদালতের প্রাধান্য থাকে। এককেন্দ্রিক ব্যবস্থায় এ ধরনের বিশেষ ক্ষমতা বণ্টনের বিরোধ মীমাংসার প্রয়োজন পড়ে না।
সুতরাং, ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত রাখা এবং কেন্দ্র-প্রদেশের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার মূলনীতির দিক থেকেই 'A' (এককেন্দ্রিক) এবং 'B' (যুক্তরাষ্ট্রীয়) সরকারের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও