‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০১৯

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

সম্প্রতি অধালিক রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা। বৃদ্ধির প্রবণতা লক্ষণীয়। এশিয় অঞ্চলে আশ্বালিক সহযোগিতা বৃদ্ধির। লক্ষ্যে গঠিত হয় একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা। অন্তঃরাস্ট্রিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ বহুবিধ সহযোগিতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্য নিয়ে এই সংস্থার জন্ম হয়। অবশ্য বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে সংস্থাটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে।

  1. ক)

    OIC-এর পূর্ণরূপ কী?

    (1)
  2. খ)

    'ভাগ কর ও শাসন কর' নীতি বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত সংস্থাটি তোমার পঠিত কোন অঞ্চোলিক সংস্থার সাথে সামজস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উত্ত সংস্থা গঠনে বাংলাদেশের ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    OIC-এর পূর্ণরূপ হলো Organisation of Islamic Cooperation (পূর্বে Organisation of the Islamic Conference)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    'ভাগ কর ও শাসন কর' (Divide and Rule) নীতি বলতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকদের অনুসৃত এমন একটি কৌশলকে বোঝায়, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল শাসিত জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন সম্প্রদায়—বিশেষত হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে ধর্মীয়, সামাজিক ও জাতিগত বিভেদ ও সন্দেহ সৃষ্টি করে ঐক্য বিনষ্ট করা, যাতে কোনো সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে না ওঠে এবং উপনিবেশিক শাসন দীর্ঘস্থায়ী ও সুদৃঢ় হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লেখিত সংস্থাটি আমার পঠিত আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা 'সার্ক' (SAARC - South Asian Association for Regional Cooperation)-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    উদ্দীপকে এশীয় অঞ্চলে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, আন্তঃরাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার কথা বলা হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৮৫ সালে সার্ক গঠিত হয়। কিন্তু ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বন্দ্ব, কাশ্মীর সংকট, পারস্পরিক আস্থাহীনতা ও দ্বিপাক্ষিক বিরোধের কারণে সার্ক দীর্ঘদিন ধরে তার কাঙ্ক্ষিত গতিশীলতা ও লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে। উদ্দীপকের বৈশিষ্ট্যের সাথে সার্কের এই পটভূমি পুরোপুরি মিলে যায়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উক্ত সংস্থা অর্থাৎ সার্ক (SAARC) গঠনে বাংলাদেশের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত অগ্রণী ও প্রশংসনীয়।

    ১. সার্কের স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি ১৯৭০-এর দশকের শেষভাগে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার প্রাতিষ্ঠানিক রূপরেখা তুলে ধরেন।
    ২. ১৯৮০ সালের মে মাসে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পাঠায়।
    ৩. বাংলাদেশের এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন কূটনৈতিক আলোচনা ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকের পর ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সার্ক গঠিত হয়।

    সুতরাং, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে একই প্ল্যাটফর্মে এনে সার্ক প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সূচনাকারী ও অন্যতম প্রধান স্থপতির ভূমিকা পালন করেছিল।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন